০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

যেভাবে আইএস যোদ্ধার সঙ্গে বিয়ে হয় সেই শামীমার

২০১৫ সালে লন্ডন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেওয়া সেই ব্রিটিশ তরুণী শামিমা বেগমকে কিভাবে বিয়ে করেন সেই বর্ণনা দিয়েছেন তার স্বামী আইএস যোদ্ধা ডাচ নাগরিক ইয়গো রিডিজক। বতর্মানে ২৭ বছর বয়সী রিডিজক এখন উত্তর পূর্ব সিরিয়ায় একটি কুর্দি বন্দি শিবিরে আটক আছেন। আর শামীমা উত্তর সিরিয়ার আল-হাওল শরণার্থী শিবিরে আরো ৩৯ হাজার মানুষের সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিডিজক তাদের বিয়ের বিষয়টি খোলসা করেছেন।

রিডিজক বলেছেন, ১৫ বছরের একজন কিশোরীকে বিয়ে করার বিষয়টি তার কাছে ‘ভুল’ মনে হয়নি, কারণ এটি ছিল ‘তার (শামীমার) সিদ্ধান্ত’।

তখন তার বয়স ছিল ২৩ বছর। তবে শুরুতে বয়স কম বলে তিনি শামীমার ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না বলে দাবী করেছেন। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, যখন আমার বন্ধুরা এসে বলেছিল যে রাক্কার নারী কেন্দ্রের এক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহী, আমি সেসময় খুব একটা আগ্রহ দেখাইনি। কারণ তার বয়স খুবই কম, কিন্তু আমি পরে রাজি হই।”

রিডিজক আরও বলেন, “আমি তাকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম, কিন্তু সে রাজি হয়নি। ফলে তখন আমরা বিয়ে করি।”

পূর্ব লন্ডনে বাসিন্দা আহমেদ আলীর মেয়ে শামীমা। সেখান থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে পালিয়ে প্রথমে তুরস্কে যান তিনি। তারপর সীমান্ত পেরিয়ে চলে যান সিরিয়া।

উদ্দেশ্য জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসে যোগ দেয়া। ঠিকই সেখানে পৌঁছার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে তিনি বিয়ে করেন ডাচ নাগরিক রিডিজককে। এরপর তার দুটি সন্তান হয়। তারা মারা যায়। ফেব্রুয়ারির শেষে এসে তার তৃতীয় সন্তানের জন্ম হয়।

ট্যাগ :

গজারিয়ায় ফিলিং স্টেশন, খাদ্যগুদাম ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি কামরুজ্জামান রতন

যেভাবে আইএস যোদ্ধার সঙ্গে বিয়ে হয় সেই শামীমার

প্রকাশিত : ০৯:৫৬:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মার্চ ২০১৯

২০১৫ সালে লন্ডন থেকে পালিয়ে সিরিয়ায় গিয়ে ইসলামিক স্টেটে (আইএস) যোগ দেওয়া সেই ব্রিটিশ তরুণী শামিমা বেগমকে কিভাবে বিয়ে করেন সেই বর্ণনা দিয়েছেন তার স্বামী আইএস যোদ্ধা ডাচ নাগরিক ইয়গো রিডিজক। বতর্মানে ২৭ বছর বয়সী রিডিজক এখন উত্তর পূর্ব সিরিয়ায় একটি কুর্দি বন্দি শিবিরে আটক আছেন। আর শামীমা উত্তর সিরিয়ার আল-হাওল শরণার্থী শিবিরে আরো ৩৯ হাজার মানুষের সঙ্গে আশ্রয় নিয়েছেন। বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রিডিজক তাদের বিয়ের বিষয়টি খোলসা করেছেন।

রিডিজক বলেছেন, ১৫ বছরের একজন কিশোরীকে বিয়ে করার বিষয়টি তার কাছে ‘ভুল’ মনে হয়নি, কারণ এটি ছিল ‘তার (শামীমার) সিদ্ধান্ত’।

তখন তার বয়স ছিল ২৩ বছর। তবে শুরুতে বয়স কম বলে তিনি শামীমার ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহী ছিলেন না বলে দাবী করেছেন। তিনি বলেন, “সত্যি বলতে, যখন আমার বন্ধুরা এসে বলেছিল যে রাক্কার নারী কেন্দ্রের এক মেয়ে বিয়ের ব্যাপারে আগ্রহী, আমি সেসময় খুব একটা আগ্রহ দেখাইনি। কারণ তার বয়স খুবই কম, কিন্তু আমি পরে রাজি হই।”

রিডিজক আরও বলেন, “আমি তাকে অপেক্ষা করতে বলেছিলাম, কিন্তু সে রাজি হয়নি। ফলে তখন আমরা বিয়ে করি।”

পূর্ব লন্ডনে বাসিন্দা আহমেদ আলীর মেয়ে শামীমা। সেখান থেকে মাত্র ১৫ বছর বয়সে পালিয়ে প্রথমে তুরস্কে যান তিনি। তারপর সীমান্ত পেরিয়ে চলে যান সিরিয়া।

উদ্দেশ্য জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসে যোগ দেয়া। ঠিকই সেখানে পৌঁছার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে তিনি বিয়ে করেন ডাচ নাগরিক রিডিজককে। এরপর তার দুটি সন্তান হয়। তারা মারা যায়। ফেব্রুয়ারির শেষে এসে তার তৃতীয় সন্তানের জন্ম হয়।