১২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বস্ত্র রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রথম হবে: পাটমন্ত্রী

রপ্তানিতে বাংলাদেশের বস্ত্রখাত বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে উঠে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক। তিনি বলেন, বর্তমানে বস্ত্র (পোশাক) রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, বস্ত্র রপ্তানিতে বাংলাদেশ যেন প্রথম হয়। আমাদের লক্ষ্য এই খাতটি একদিন শীর্ষে উঠে আসবে।

আজ বুধবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়াধীন বস্ত্র অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী একথা বলেন।

বস্ত্রখাতের উন্নয়নে দেশে ফ্যাশন ডিজাইনিং ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হবে উল্লেখ করে গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের মানোন্নয়ন ঘটাতে হবে। ডিজাইনিংয়ে আমাদের আরো উন্নতি করতে হবে। শুধু দেশি নয়, বিদেশি ফ্যাশন ডিজাইনকেও রপ্ত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে ডিজাইনার এনে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, আমরা সব স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে আলোচনা করবো। শিগগিরই বস্ত্র আইন-২০১৮ বাস্ত্রবায়ন শুরু হবে। এ আইনের আওতায় বস্ত্র খাতের সকল স্টেক হোল্ডারদের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বস্ত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে সরকার। এই খাতটিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনেক স্বপ্ন। আমরা সেই স্বপ্ন পূরণ করব। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা চাইছি।

মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমান, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইলসহ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

গাজায় ধ্বংসস্তূপের মাঝেই ফিরল ফুটবল

বস্ত্র রপ্তানিতে বাংলাদেশ প্রথম হবে: পাটমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৯:২৯:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৩ মার্চ ২০১৯

রপ্তানিতে বাংলাদেশের বস্ত্রখাত বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে উঠে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, বীরপ্রতীক। তিনি বলেন, বর্তমানে বস্ত্র (পোশাক) রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। সরকারের লক্ষ্য, বস্ত্র রপ্তানিতে বাংলাদেশ যেন প্রথম হয়। আমাদের লক্ষ্য এই খাতটি একদিন শীর্ষে উঠে আসবে।

আজ বুধবার বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়াধীন বস্ত্র অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী একথা বলেন।

বস্ত্রখাতের উন্নয়নে দেশে ফ্যাশন ডিজাইনিং ট্রেনিং সেন্টার স্থাপন করা হবে উল্লেখ করে গোলাম দস্তগীর গাজী বীর প্রতীক বলেন, ফ্যাশন ডিজাইনিংয়ের মানোন্নয়ন ঘটাতে হবে। ডিজাইনিংয়ে আমাদের আরো উন্নতি করতে হবে। শুধু দেশি নয়, বিদেশি ফ্যাশন ডিজাইনকেও রপ্ত করতে হবে। প্রয়োজনে বিদেশ থেকে ডিজাইনার এনে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনবল গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, আমরা সব স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে আলোচনা করবো। শিগগিরই বস্ত্র আইন-২০১৮ বাস্ত্রবায়ন শুরু হবে। এ আইনের আওতায় বস্ত্র খাতের সকল স্টেক হোল্ডারদের নীতিগত সহায়তা দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, বস্ত্র শিল্পকে এগিয়ে নিতে প্রয়োজনীয় সব কিছু করবে সরকার। এই খাতটিকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনেক স্বপ্ন। আমরা সেই স্বপ্ন পূরণ করব। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা চাইছি।

মতবিনিময় সভায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. মিজানুর রহমান, বস্ত্র অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইসমাইলসহ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।