০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

পুঁজিবাজারের সূচক পতনের পেছনে কেউ আছে: অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সূচক পতনের পেছনে কেউ না কেউ আছে। না হলে কিছুদিন পরপর এভাবে হবে কেন।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি পুঁজিবাজার ঠিক আছে। খারাপ অবস্থানে নেই। অথচ আপনারা লিখেছেন শেয়ারবাজার নেই, বাংলাদেশ নেই। সব শেষ হয়ে গিয়েছে।

তিনি প্রশ্ন করেন কোথায় সে রকম ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক ছিল ৪ হাজার ৫০০ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্টে গিয়েছিল। এখনও ৫ হাজার ৩০০ আছে।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অর্থনীতি ভালো হলে পুঁজিবাজার ভালো হয়। আর পুঁজিবাজার উঠানামা করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা ভয় দেখালে হবে না। আর এখানে পুঁজিবাজার অন্য জায়গার মতো না। অন্য জায়গাতে পুঁজিবাজারে যারা আসেন, তারা বুঝেশুনে আসেন। লেখাপড়া জানেন। বাজার সম্পর্কে বোঝেন।

কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হলো আমাদের এখানে যারা বাজার বোঝেন, তাদের সংখ্যা খুব কম। সবাই যদি বুঝতেন, তবে আমাদের এত দুশ্চিন্তা করার দরকার ছিল না।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সূচক পতনের পেছনে কেউ না কেউ আছে। না হলে কিছুদিন পরপর এভাবে হবে কেন। ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে আমরা এই বিষয়গুলো দেখেছি। এর পেছনে যারা আছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

প্রসঙ্গত গত ৩ মাস ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত ২৪ জানুয়ারি ডিএসইর প্রধান সূচক ছিল ৫ হাজার ৯৫০ পয়েন্ট।

গত ২১ এপ্রিল এই সূচক ৫ হাজার ৩২৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এ সময় সূচক কমেছে ৬২৬ পয়েন্ট। শতকরা হিসাবে তা ১০ দশমিক ৫২ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বাজার মূলধন ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

অর্থাৎ তিন মাসে বাজারমূলধন প্রায় ২৪ হাজার টাকা দাম কমেছে। এদিকে দরপতনের প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছে বিনিয়োগকারীরা। প্রতিদিনই ডিএসইর সামনে বিক্ষোভও করছে তারা।

বিবি/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে কোনো জুলুম-নির্যাতন হবে না:সৈয়দ মো. ফয়সল

পুঁজিবাজারের সূচক পতনের পেছনে কেউ আছে: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮:৪৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০১৯

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেছেন, সূচক পতনের পেছনে কেউ না কেউ আছে। না হলে কিছুদিন পরপর এভাবে হবে কেন।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমি মনে করি পুঁজিবাজার ঠিক আছে। খারাপ অবস্থানে নেই। অথচ আপনারা লিখেছেন শেয়ারবাজার নেই, বাংলাদেশ নেই। সব শেষ হয়ে গিয়েছে।

তিনি প্রশ্ন করেন কোথায় সে রকম ঘটনা ঘটেছে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সূচক ছিল ৪ হাজার ৫০০ পয়েন্ট। সেখান থেকে ৫ হাজার ৯০০ পয়েন্টে গিয়েছিল। এখনও ৫ হাজার ৩০০ আছে।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজার দেশের অর্থনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। অর্থনীতি ভালো হলে পুঁজিবাজার ভালো হয়। আর পুঁজিবাজার উঠানামা করতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা ভয় দেখালে হবে না। আর এখানে পুঁজিবাজার অন্য জায়গার মতো না। অন্য জায়গাতে পুঁজিবাজারে যারা আসেন, তারা বুঝেশুনে আসেন। লেখাপড়া জানেন। বাজার সম্পর্কে বোঝেন।

কিন্তু অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক হলো আমাদের এখানে যারা বাজার বোঝেন, তাদের সংখ্যা খুব কম। সবাই যদি বুঝতেন, তবে আমাদের এত দুশ্চিন্তা করার দরকার ছিল না।

তিনি বলেন, পুঁজিবাজারের সূচক পতনের পেছনে কেউ না কেউ আছে। না হলে কিছুদিন পরপর এভাবে হবে কেন। ১৯৯৬ এবং ২০১০ সালে আমরা এই বিষয়গুলো দেখেছি। এর পেছনে যারা আছে, তাদের খুঁজে বের করতে হবে।

প্রসঙ্গত গত ৩ মাস ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা বিরাজ করছে। গত ২৪ জানুয়ারি ডিএসইর প্রধান সূচক ছিল ৫ হাজার ৯৫০ পয়েন্ট।

গত ২১ এপ্রিল এই সূচক ৫ হাজার ৩২৪ পয়েন্টে নেমে এসেছে। এ সময় সূচক কমেছে ৬২৬ পয়েন্ট। শতকরা হিসাবে তা ১০ দশমিক ৫২ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকার বাজার মূলধন ৩ লাখ ৯৬ হাজার ৩৮৩ কোটি টাকায় নেমে এসেছে।

অর্থাৎ তিন মাসে বাজারমূলধন প্রায় ২৪ হাজার টাকা দাম কমেছে। এদিকে দরপতনের প্রতিবাদে রাজপথে নেমে এসেছে বিনিয়োগকারীরা। প্রতিদিনই ডিএসইর সামনে বিক্ষোভও করছে তারা।

বিবি/ ইএম