০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

স্কুল ছাত্রী রিমা ধর্ষণের পর হত্যা কারীর ফাঁসির বিচার দাবিতে মানববন্ধন

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমাকে গণধর্ষণের পর হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ওই স্কুলসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -শিক্ষার্থী ও সাধারন জনতা।
গতকাল শনিবার সকালে হোসেনপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে ওই স্কুল ও হোসেনপুর এর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কাজী আসমা আক্তার, স্কুল কমিটির সভাপতি ও হোসেনপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহেল,হোসেনপুর পাইলট সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান, রিমার মামা মোসলেম উদ্দিন সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা বক্তব্যে বলেন, অনতিবিলম্বে রিমা হত্যাকারী ফাঁসি দিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য যে,হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে ও স্থানীয় হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ভোকেশনাল শিক্ষার্থী স্মৃতি আক্তার রিমা (১৪)গত মঙ্গলবার তার মায়ের সাথে নানার বাড়ি পাশের উপজেলা পাকুন্দিয়ার গাংধোয়াচর গ্রামে বেড়াতে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭জুলাই রাতে পূর্বপরিচিত একই উপজেলার চর ফরাদি গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া (১৮) রিমাকে কথা বলার জন্য নানার বাড়ির পাশের একটি পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে রিমা নিখোঁজ হয়। পরদিন ১৮জুলাই সকালে পাশের জঙ্গলের একটি গাছে রিমার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। নিহত রিমার মাতা আঙ্গুরা খাতুন ও মামা মুসলিম উদ্দিনের দাবি,পূর্ব পরিচিত জাহিদ রিমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কথা বলার জন্য বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে রিমার লাশ পাশের জঙ্গলে একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখে।তাছাড়া ধর্ষণের আলামত হিসেবে, ঝুলন্ত লাশের পাশে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট এর খোসা ও কয়েকটি কনডম পড়ে থাকতে দেখা যায় বলেও জানান। এদিকে পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় ,রিমার লাশের যৌনাঙ্গের আশপাশে রক্ত ও দাগ পরিলক্ষিত হয় এবং পা দুটি মাটির সাথে হাটু ভাঙ্গা অবস্থায় লাগানো ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।ময়নাতদন্তের পর গত বৃহস্পতিবার রাতে রীমার লাশ জানাজা শেষে জামাইল গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। কিশোরগঞ্জের আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, ময়না তদন্তের রিমার ধর্ষনের আলামত সুষ্পষ্ট ভাবে মিলেছে।তার পায়ূপথে ওযৌনাঙ্গ রক্তাক্ত ছিল।

এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মফিজুর রহমান বলেন, রিমার মা আঙ্গুরা বেগম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে মামলা রুজু হয়েছে। আসামী গ্রেফতারে আওতায় আনার জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

স্কুল ছাত্রী রিমা ধর্ষণের পর হত্যা কারীর ফাঁসির বিচার দাবিতে মানববন্ধন

প্রকাশিত : ০৪:৪৯:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুলাই ২০১৯

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ছাত্রী স্মৃতি আক্তার রিমাকে গণধর্ষণের পর হত্যার বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছে ওই স্কুলসহ অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক -শিক্ষার্থী ও সাধারন জনতা।
গতকাল শনিবার সকালে হোসেনপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সড়কে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসূচিতে ওই স্কুল ও হোসেনপুর এর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষার্থীরা অংশ নিয়ে হত্যাকারীর ফাঁসি দাবি করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা কাজী আসমা আক্তার, স্কুল কমিটির সভাপতি ও হোসেনপুর উপজেলা চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহেল,হোসেনপুর পাইলট সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান, রিমার মামা মোসলেম উদ্দিন সহ বিভিন্ন গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। তারা বক্তব্যে বলেন, অনতিবিলম্বে রিমা হত্যাকারী ফাঁসি দিয়ে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি অনুরোধ জ্ঞাপন করেন।

উল্লেখ্য যে,হোসেনপুর উপজেলার জামাইল গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের মেয়ে ও স্থানীয় হোসেনপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণীর ভোকেশনাল শিক্ষার্থী স্মৃতি আক্তার রিমা (১৪)গত মঙ্গলবার তার মায়ের সাথে নানার বাড়ি পাশের উপজেলা পাকুন্দিয়ার গাংধোয়াচর গ্রামে বেড়াতে যায়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৭জুলাই রাতে পূর্বপরিচিত একই উপজেলার চর ফরাদি গ্রামের খুরশিদ মিয়ার ছেলে জাহিদ মিয়া (১৮) রিমাকে কথা বলার জন্য নানার বাড়ির পাশের একটি পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর থেকে রিমা নিখোঁজ হয়। পরদিন ১৮জুলাই সকালে পাশের জঙ্গলের একটি গাছে রিমার ঝুলন্ত লাশ পাওয়া যায়। নিহত রিমার মাতা আঙ্গুরা খাতুন ও মামা মুসলিম উদ্দিনের দাবি,পূর্ব পরিচিত জাহিদ রিমাকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে কথা বলার জন্য বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গণধর্ষণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে রিমার লাশ পাশের জঙ্গলে একটি গাছে ঝুলিয়ে রাখে।তাছাড়া ধর্ষণের আলামত হিসেবে, ঝুলন্ত লাশের পাশে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট এর খোসা ও কয়েকটি কনডম পড়ে থাকতে দেখা যায় বলেও জানান। এদিকে পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করা হয় ,রিমার লাশের যৌনাঙ্গের আশপাশে রক্ত ও দাগ পরিলক্ষিত হয় এবং পা দুটি মাটির সাথে হাটু ভাঙ্গা অবস্থায় লাগানো ছিল বলেও উল্লেখ করা হয়।ময়নাতদন্তের পর গত বৃহস্পতিবার রাতে রীমার লাশ জানাজা শেষে জামাইল গ্রামের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। কিশোরগঞ্জের আধুনিক সদর হাসপাতালের সিভিল সার্জন ডাঃ মোঃ হাবিবুর রহমান জানান, ময়না তদন্তের রিমার ধর্ষনের আলামত সুষ্পষ্ট ভাবে মিলেছে।তার পায়ূপথে ওযৌনাঙ্গ রক্তাক্ত ছিল।

এ ব্যাপারে পাকুন্দিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মফিজুর রহমান বলেন, রিমার মা আঙ্গুরা বেগম বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামী করে মামলা রুজু হয়েছে। আসামী গ্রেফতারে আওতায় আনার জন্য বিশেষ অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম