০২:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জিম্বাবুয়ের পর এবার নিষিদ্ধ হচ্ছে পাকিস্তান!

জিম্বাবুয়ে সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দুর্নীতির অভিযোগ এনে সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডকে বহিষ্কার করে। ক্রিকেট বোর্ডের উপর সরকারের এমন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করার পর ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির সদস্যপদ হারায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। এবার জিম্বাবুয়ের মতোই একই পরিণতির দিকে এগিয়ে যেতে পারে পাকিস্তান। তাদের উপরেও নেমে আসতে পারে নিষেধাজ্ঞার খড়গ।

১৯৯২ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ও পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার দেশের ক্রিকেটে এবার হস্তক্ষেপ করতে চলেছেন। ২০১৯ বিশ্বকাপে নিজ দেশের ব্যর্থতা মেনে নিতে না পারাতেই তিনি এমনটি করার ঘোষণাই দিয়ে ফেলেছেন।

রোববার (২১ জুলাই) তিনদিনের সফরে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থাকা ইমরান খান ওয়াশিংটনে এক জলসা অনুষ্ঠানে বলেন, পাকিস্তান ক্রিকেটকে বদলে দেবো। আমি ইংল্যান্ডে গিয়েছি, যেখানে আমি ক্রিকেটটা খেলতে শিখেছি। যখন আমরা সেখান থেকে ফিরি, অন্য খেলোয়াড়দের মানের বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশ্বকাপের পর তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পাকিস্তান ক্রিকেটে হাত দেবো।

তিনি বলেন, আমার কথাটা মনে রাখুন। আগামী বিশ্বকাপে আপনারা যে দলকে দেখবেন, সেই দলটি হবে পেশাদার একটা দল। আমরা বর্তমান পদ্ধতির পরিবর্তন করবো এবং সেরা প্রতিভাকেই সামনে নিয়ে আসবো।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেছে, পিসিবির সংবিধানে এমন অনেক অনুচ্ছেদ রয়েছে যেখানে সরকারী হস্তক্ষেপের অধিকার রয়েছে। যদিও গঠনতন্ত্রে সরকারি হস্তক্ষেপের জন্য শ্রীলঙ্কা ও নেপাল ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করেছিল আইসিসি।

পিসিবির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ নম্বর ৪৫-এ লেখা রয়েছে, সরকার যদি চায় তাহলে বোর্ডের সংবিধানে পরিবর্তন আনতে পারে। সংবিধানে কোনো নিয়ম জুড়ে দেয়ার বা ছেঁটে ফেলার অধিকার সরকারের রয়েছে। আরেক জায়গায় লেখা রয়েছে, প্যাট্রন চাইলে বোর্ডের জেনারেল নীতি নির্ধারণে নিজের মতামত জানাতে পারেন।

সেক্ষেত্রে বোর্ডকেও প্যাট্রনের মতামতের গুরুত্ব দিতে হবে। এমনকি পিসিবির অধ্যক্ষকে সরানোর অধিকারও রয়েছে প্যাট্রনের।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

জিম্বাবুয়ের পর এবার নিষিদ্ধ হচ্ছে পাকিস্তান!

প্রকাশিত : ০৬:১০:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুলাই ২০১৯

জিম্বাবুয়ে সরকারের ক্রীড়া মন্ত্রণালয় দুর্নীতির অভিযোগ এনে সেদেশের ক্রিকেট বোর্ডকে বহিষ্কার করে। ক্রিকেট বোর্ডের উপর সরকারের এমন রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ করার পর ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসির সদস্যপদ হারায় জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট। এবার জিম্বাবুয়ের মতোই একই পরিণতির দিকে এগিয়ে যেতে পারে পাকিস্তান। তাদের উপরেও নেমে আসতে পারে নিষেধাজ্ঞার খড়গ।

১৯৯২ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক ও পাকিস্তানের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান তার দেশের ক্রিকেটে এবার হস্তক্ষেপ করতে চলেছেন। ২০১৯ বিশ্বকাপে নিজ দেশের ব্যর্থতা মেনে নিতে না পারাতেই তিনি এমনটি করার ঘোষণাই দিয়ে ফেলেছেন।

রোববার (২১ জুলাই) তিনদিনের সফরে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র থাকা ইমরান খান ওয়াশিংটনে এক জলসা অনুষ্ঠানে বলেন, পাকিস্তান ক্রিকেটকে বদলে দেবো। আমি ইংল্যান্ডে গিয়েছি, যেখানে আমি ক্রিকেটটা খেলতে শিখেছি। যখন আমরা সেখান থেকে ফিরি, অন্য খেলোয়াড়দের মানের বিষয়টি উঠে এসেছে। বিশ্বকাপের পর তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি, পাকিস্তান ক্রিকেটে হাত দেবো।

তিনি বলেন, আমার কথাটা মনে রাখুন। আগামী বিশ্বকাপে আপনারা যে দলকে দেখবেন, সেই দলটি হবে পেশাদার একটা দল। আমরা বর্তমান পদ্ধতির পরিবর্তন করবো এবং সেরা প্রতিভাকেই সামনে নিয়ে আসবো।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন তাদের প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলেছে, পিসিবির সংবিধানে এমন অনেক অনুচ্ছেদ রয়েছে যেখানে সরকারী হস্তক্ষেপের অধিকার রয়েছে। যদিও গঠনতন্ত্রে সরকারি হস্তক্ষেপের জন্য শ্রীলঙ্কা ও নেপাল ক্রিকেট বোর্ডকে সতর্ক করেছিল আইসিসি।

পিসিবির গঠনতন্ত্রের অনুচ্ছেদ নম্বর ৪৫-এ লেখা রয়েছে, সরকার যদি চায় তাহলে বোর্ডের সংবিধানে পরিবর্তন আনতে পারে। সংবিধানে কোনো নিয়ম জুড়ে দেয়ার বা ছেঁটে ফেলার অধিকার সরকারের রয়েছে। আরেক জায়গায় লেখা রয়েছে, প্যাট্রন চাইলে বোর্ডের জেনারেল নীতি নির্ধারণে নিজের মতামত জানাতে পারেন।

সেক্ষেত্রে বোর্ডকেও প্যাট্রনের মতামতের গুরুত্ব দিতে হবে। এমনকি পিসিবির অধ্যক্ষকে সরানোর অধিকারও রয়েছে প্যাট্রনের।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ