মঙ্গলবার কৃষিঋণ নীতিমালা ঘোষণা করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। পরবর্তী এক বছরে কি পরিমাণ কৃষিঋণ বিতরণ করা হবে তার নতুন লক্ষ্যমাত্রা জানানো হবে। পাশাপাশি আগের বছরের লক্ষ্যমাত্রা ও অর্জন সম্পর্কেও অবহিত করা হবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব কমিউনিকেশন্স এন্ড পাবলিকেশন্স বিভাগ থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ভবনের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের কৃষি ও পল্লী ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে। নীতিমালাটি ঘোষণা করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর এস. এম মনিরুজ্জামান। কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রার সাথে সাথে অর্জনও বাড়ছে প্রতি বছর। সদ্য সমাপ্ত ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। তবে বিতরণ হয়েছে ২৩ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা। যা লক্ষ্যমাত্রার ১০৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এর আগের বছরেও এই অর্জন ছিল ১০৪ দশমিক ৮৭ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হলেও সহজেই অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে ব্যাংক খাত। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কৃষিঋণ বিতরণ হয়েছে মোট ২৩ হাজার ৬১৬ কোটি টাকা।
যা লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় ১ হাজার ৮১৬ কোটি টাকা বেশি। এটা আগের অর্থবছরের তুলনায় ২ হাজর ২২২ কোটি টাকা বেশি। সমাপ্ত অর্থবছরে দেখা গেছে ২৩ হাজার ৬১৬ কোটি টাকার বিতরণকৃত ঋণের মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানার ৮ ব্যাংক থেকে সরবরাহ করা হয়েছে ১১ হাজার ২৯৩ টাকার কৃষিঋণ। বাকি ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকার ঋণ দিয়েছে বিদেশি ও বেসরকারি ব্যাংকগুলো। ওই সময়ে সবচেয়ে বেশি কৃষিঋণ বিতরণ করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক। এই বছরে মোট ৬ হাজার ১৩৪ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে ব্যাংকটি। এর পরেই রয়েছে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক। এই সময়ে ১ হাজার ৮৮৫ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণে করেছে তারা। রাকাবের পরে থাকা বেসরকারি খাতের ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটিড ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট ১ হাজার ৩০৯ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে।
যা বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। শীর্ষ তালিকার পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সোনালী ব্যাংক। আলোচ্য বছরের জুলাই-জুন মাসে ১ হাজার ২৫৯ কোটি টাকার কৃষিঋণ বিতরণ করেছে সোনালী ব্যাংক। যা তাদের উপর নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার ১০৫ শতাংশ। সমাপ্ত অর্থবছরে ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।




















