০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

ময়মনসিংহে ওমর ফারুক হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধে ময়মনসিংহের ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নের বাঁশাটি গ্রামে আইয়ুব আলীর ছেলে ওমর ফারুক হত্যা মামলায় পিতা-পুত্রসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো একই এলাকার মৃত কফিল উদ্দিন মেস্তরীর ছেলে শাহজামাল নয়ন(৬২),শাহজামাল নয়নের ছেলে রেজাউল করিম(৩৪),মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে আজাহার(৫৭)ও রুহুল বক্সের ছেলে সুলতান(৫২)।

আসামীদের মাঝে পিতা শাহজামাল নয়ন ও পুত্র রেজাউল করিম পলাতক রয়েছে।
বুধবার (২৪জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরনে প্রকাশ, ২০০৭ সালের ৩০ মে সকালে ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নের বাঁশাটি গ্রামে চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে আইয়ুব আলীর ছেলে ওমর ফারুককে লাঠি, লাঙ্গলের হাতল দিয়ে আঘাত করে আসামীরা। এ সময় আসামীদের আঘাতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়ে ওমর ফারুক রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে পরদিন সে মারা যায়।

গত ১ জুন ফুলপুর থানায় নিহতের বাবা আইয়ুব আলী মামলা করলে পুলিশ ঘটনা তদন্তে আটজনকে আসামী করে আদালতে চার্জশিট দেয়।
বিচার প্রক্রিয়া ও শুনানী শেষে চার আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয় এবং আদালত তাদের দন্ড প্রদান করেন। বাকিদের বিরুদ্ধে কোন তথ্য-উপাত্ত প্রমানিত না হওয়ায় মামলা থেকে অব্যাহতি দেন বিচারক।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি এপিপি মশিউর রহমান ফারুক ও আসামী পক্ষের আইনজীবি মো. আনিসুর রহমান হাতেম মামলা পরিচালনায় ১৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহন ও পর্যালোচনা শেষে অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব আসামীদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

দেবিদ্বারের বারুর গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্কে হিন্দু সম্প্রদায়

ময়মনসিংহে ওমর ফারুক হত্যা মামলায় চারজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

প্রকাশিত : ১০:০২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুলাই ২০১৯

চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধে ময়মনসিংহের ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নের বাঁশাটি গ্রামে আইয়ুব আলীর ছেলে ওমর ফারুক হত্যা মামলায় পিতা-পুত্রসহ চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে আদালত। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো একই এলাকার মৃত কফিল উদ্দিন মেস্তরীর ছেলে শাহজামাল নয়ন(৬২),শাহজামাল নয়নের ছেলে রেজাউল করিম(৩৪),মৃত মিয়া হোসেনের ছেলে আজাহার(৫৭)ও রুহুল বক্সের ছেলে সুলতান(৫২)।

আসামীদের মাঝে পিতা শাহজামাল নয়ন ও পুত্র রেজাউল করিম পলাতক রয়েছে।
বুধবার (২৪জুলাই) দুপুরে ময়মনসিংহ অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব এ আদেশ দেন।

মামলার বিবরনে প্রকাশ, ২০০৭ সালের ৩০ মে সকালে ফুলপুরের ছনধরা ইউনিয়নের বাঁশাটি গ্রামে চলাচলের রাস্তা নিয়ে পূর্ব বিরোধের জেরে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে আইয়ুব আলীর ছেলে ওমর ফারুককে লাঠি, লাঙ্গলের হাতল দিয়ে আঘাত করে আসামীরা। এ সময় আসামীদের আঘাতে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত হয়ে ওমর ফারুক রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। প্রথমে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ও পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে পরদিন সে মারা যায়।

গত ১ জুন ফুলপুর থানায় নিহতের বাবা আইয়ুব আলী মামলা করলে পুলিশ ঘটনা তদন্তে আটজনকে আসামী করে আদালতে চার্জশিট দেয়।
বিচার প্রক্রিয়া ও শুনানী শেষে চার আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হয় এবং আদালত তাদের দন্ড প্রদান করেন। বাকিদের বিরুদ্ধে কোন তথ্য-উপাত্ত প্রমানিত না হওয়ায় মামলা থেকে অব্যাহতি দেন বিচারক।

রাষ্ট্র পক্ষের আইনজীবি এপিপি মশিউর রহমান ফারুক ও আসামী পক্ষের আইনজীবি মো. আনিসুর রহমান হাতেম মামলা পরিচালনায় ১৫ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহন ও পর্যালোচনা শেষে অতিরিক্ত দায়রা জজ ২য় আদালতের বিচারক মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব আসামীদের উপস্থিতিতে এ আদেশ দেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-/ ইএম