০৯:১১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬

সিটি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধের (জানুয়ারি-জুন, ২০১৯) ব্যবসায় শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের মুনাফা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। তবে তারল্য সংকটে পড়েছে ব্যাংকটি। সোমবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে এ পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকটির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ বা ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৬ টাকা ১৫ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ১২ টাকা ৩০ পয়সা। অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হওয়ার অর্থ নগদ টাকার সংকট দেখা দেওয়া। যে প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ ফ্লো যত বেশি ঋণাত্মক, ওই প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থ সংকট তত বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হয়ে পড়লে ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা কঠিন হয়ে পড়ে। ব্যবসা পরিচালনায় নানামুখী সমস্যা দেখা দেয়। সময় মতো পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। নগদ অর্থ সংকট দেখা দিলেও চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির মুনাফা বেড়েছে। এপ্রিল-জুন সময়ে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ১২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা।

সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৭ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকের মতো অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) হিসাবেও ব্যাংকটির মুনাফা বেড়েছে। চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ১ টাকা ৯১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। অর্থাৎ অর্ধবার্ষিক হিসাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৪৭ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৭৬ পয়সা, যা ২০১৮ সাল ৩১ ডিসেম্বর শেষে ছিল ২৫ টাকা ৭৪ পয়সা।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সিটি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে

প্রকাশিত : ১০:০৬:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০১৯

চলতি হিসাব বছরের প্রথমার্ধের (জানুয়ারি-জুন, ২০১৯) ব্যবসায় শেয়ারবাজারের তালিকাভুক্ত সিটি ব্যাংকের মুনাফা আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। তবে তারল্য সংকটে পড়েছে ব্যাংকটি। সোমবার কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ সভা শেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) পাঠানো প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ের আর্থিক প্রতিবেদন নিয়ে এ পর্ষদ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাংকটির আর্থিক প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ বা ক্যাশ ফ্লো দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৬ টাকা ১৫ পয়সা। আগের বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি পরিচালন নগদ প্রবাহ ছিল ১২ টাকা ৩০ পয়সা। অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হওয়ার অর্থ নগদ টাকার সংকট দেখা দেওয়া। যে প্রতিষ্ঠানের ক্যাশ ফ্লো যত বেশি ঋণাত্মক, ওই প্রতিষ্ঠানের নগদ অর্থ সংকট তত বেশি। বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি প্রতিষ্ঠানের অপারেটিং ক্যাশ ফ্লো ঋণাত্মক হয়ে পড়লে ওই প্রতিষ্ঠানের পক্ষে নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করা কঠিন হয়ে পড়ে। ব্যবসা পরিচালনায় নানামুখী সমস্যা দেখা দেয়। সময় মতো পাওনাদারের পাওনা পরিশোধ করা কষ্টকর হয়ে পড়ে। নগদ অর্থ সংকট দেখা দিলেও চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংকটির মুনাফা বেড়েছে। এপ্রিল-জুন সময়ে কোম্পানিটি শেয়ার প্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ১২ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৫ পয়সা।

সে হিসাবে আগের বছরের তুলনায় ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৭ পয়সা। দ্বিতীয় প্রান্তিকের মতো অর্ধবার্ষিক (জানুয়ারি-জুন) হিসাবেও ব্যাংকটির মুনাফা বেড়েছে। চলতি হিসাব বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে ব্যাংকটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা করেছে ১ টাকা ৯১ পয়সা, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ টাকা ৪৪ পয়সা। অর্থাৎ অর্ধবার্ষিক হিসাবে ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি মুনাফা বেড়েছে ৪৭ পয়সা। এদিকে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য আগের বছরের তুলনায় বেড়েছে। চলতি বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি সম্পদ মূল্য দাঁড়িয়েছে ২৬ টাকা ৭৬ পয়সা, যা ২০১৮ সাল ৩১ ডিসেম্বর শেষে ছিল ২৫ টাকা ৭৪ পয়সা।