০৯:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বিদেশিদের দেয়া বেতনের তথ্য নেই বাংলাদেশ ব্যাংকে

বিদেশ থেকে আসা রেমিট্যান্সের তথ্য থাকলেও বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের কি পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হয় তার কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।

গত বুধবার মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা রাজি হাসানকে উত্তর দেয়ার আহ্বান জানান গভর্নর ফজলে কবির। সেসময় রাজি হাসান জানান, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে পৃথক কোনো তথ্য নেই। তবে এটা সংগ্রহ করে দেয়া যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহির্মুখী রেমিট্যান্স সম্পর্কে পৃথকভাবে ডাটা সংগ্রহের ব্যবস্থা করবে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে মাসিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট্যান্সের পরিমান প্রকাশ করা হয়।

কিন্তু বিদেশি কর্মীদের পিছনে কি পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশের খরচ হয় এমন কোনো তথ্য নেই সেখানে। উল্লেখ, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে (২০১৮-১৯) এক হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) বাংলাদেশ রেমিট্যান্স থেকে আয় করেছিল এক হাজার ৪৯৮ কোটি কোটি ১৬ লাখ ডলার। তবে শেষ মাস (২০১৯) জুনে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ১ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এমনকি প্রবাসীদের পাঠানো টাকার অঙ্কও কমে গেছে। ২০১৮ সালের জুনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ১৩৮ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এক বছর পর ২০১৯ সালের জুনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ৮২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

বিদেশিদের দেয়া বেতনের তথ্য নেই বাংলাদেশ ব্যাংকে

প্রকাশিত : ০৯:৫৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অগাস্ট ২০১৯

বিদেশ থেকে আসা রেমিট্যান্সের তথ্য থাকলেও বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশিদের কি পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করতে হয় তার কোনো নির্দিষ্ট তথ্য নেই বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে।

গত বুধবার মুদ্রানীতি ঘোষণা অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে এবিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা রাজি হাসানকে উত্তর দেয়ার আহ্বান জানান গভর্নর ফজলে কবির। সেসময় রাজি হাসান জানান, এই মুহূর্তে আমাদের কাছে পৃথক কোনো তথ্য নেই। তবে এটা সংগ্রহ করে দেয়া যাবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহির্মুখী রেমিট্যান্স সম্পর্কে পৃথকভাবে ডাটা সংগ্রহের ব্যবস্থা করবে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে মাসিকভাবে প্রবাসী বাংলাদেশিদের রেমিট্যান্সের পরিমান প্রকাশ করা হয়।

কিন্তু বিদেশি কর্মীদের পিছনে কি পরিমাণ অর্থ বাংলাদেশের খরচ হয় এমন কোনো তথ্য নেই সেখানে। উল্লেখ, বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন বলছে ৩০ জুন শেষ হওয়া অর্থবছরে (২০১৮-১৯) এক হাজার ৬৪১ কোটি ৯৬ লাখ ডলারের রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই অঙ্ক গত অর্থবছরের চেয়ে ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ বেশি। আগের অর্থবছরে (২০১৭-১৮) বাংলাদেশ রেমিট্যান্স থেকে আয় করেছিল এক হাজার ৪৯৮ কোটি কোটি ১৬ লাখ ডলার। তবে শেষ মাস (২০১৯) জুনে রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাইনাস ১ দশমিক ১৭ শতাংশ।

এমনকি প্রবাসীদের পাঠানো টাকার অঙ্কও কমে গেছে। ২০১৮ সালের জুনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন ১৩৮ কোটি ৪৩ লাখ ডলার। এক বছর পর ২০১৯ সালের জুনে প্রবাসীরা রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন ১৩৬ কোটি ৮২ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।