১০:৩৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার সাংবাদিক মুশফিক

মোহনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মুশফিকুর রহমানকে সুনামগঞ্জে পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সুনামগঞ্জের স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে তাকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মুশফিক স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয়রা জানান, মুশফিককে দেখে মনে হচ্ছে তাকে বেশ মারধর করা হয়েছে। এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে মুশফিককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো।

এদিকে মুশফিকের খোঁজ পাওয়ার খবরে মঙ্গলবার সকালেই ঢাকার গুলশান থানা থেকে পুলিশের একটি টিম রওনা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান সকাল পৌনে ৭টায় গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশি রিপোর্ট এখনো হাতে পাইনি। চেষ্টা চলছে।

মুশফিকের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলে মামার সঙ্গে কথা বলতে গুলশানে যান তিনি। তার সঙ্গে দেখা করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাসায় ফেরার জন্য রওনা দেন। এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পেয়ে গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার মামা এজাবুল হক।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই মুশফিকুরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল অজ্ঞাত ব্যক্তি। এ ঘটনায় ২২ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগও করেন তিনি। সেই ঘটনার সুরাহা না হতেই নিখোঁজ হন মুশফিকুর।

রবিবার (৪ আগস্ট) গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান জানিয়েছিলেন, সাংবাদিক নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মুশফিককে খুঁজে পেতে সব ধরনের চেষ্টা তারা চালাচ্ছেন।

তিনি জানান, দ্রুতই তার খোঁজ পাওয়া যাবে। এছাড়া সাংবাদিক মুশফিককে উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বিবি/জেজে

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কুমিল্লার বুড়িচংয়ে ভাড়া বাসা থেকে পিকআপ চালকের অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার

সুনামগঞ্জ থেকে উদ্ধার সাংবাদিক মুশফিক

প্রকাশিত : ০৯:৫১:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অগাস্ট ২০১৯

মোহনা টেলিভিশনের সিনিয়র রিপোর্টার মুশফিকুর রহমানকে সুনামগঞ্জে পাওয়া গেছে। মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) সুনামগঞ্জের স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে তাকে আহত অবস্থায় পাওয়া যায়। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মুশফিক স্থানীয় সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

স্থানীয়রা জানান, মুশফিককে দেখে মনে হচ্ছে তাকে বেশ মারধর করা হয়েছে। এর আগে গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার পর থেকে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে মুশফিককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করা হলো।

এদিকে মুশফিকের খোঁজ পাওয়ার খবরে মঙ্গলবার সকালেই ঢাকার গুলশান থানা থেকে পুলিশের একটি টিম রওনা হয়েছে।

সুনামগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. বরকতুল্লাহ খান সকাল পৌনে ৭টায় গণমাধ্যমকে বলেন, পুলিশি রিপোর্ট এখনো হাতে পাইনি। চেষ্টা চলছে।

মুশফিকের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, শনিবার বিকেলে মামার সঙ্গে কথা বলতে গুলশানে যান তিনি। তার সঙ্গে দেখা করে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বাসায় ফেরার জন্য রওনা দেন। এরপর তিনি আর বাসায় ফেরেননি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর তার সন্ধান না পেয়ে গুলশান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন তার মামা এজাবুল হক।

জানা যায়, গত ২১ জুলাই মুশফিকুরকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিল অজ্ঞাত ব্যক্তি। এ ঘটনায় ২২ জুলাই রাজধানীর পল্লবী থানায় লিখিত অভিযোগও করেন তিনি। সেই ঘটনার সুরাহা না হতেই নিখোঁজ হন মুশফিকুর।

রবিবার (৪ আগস্ট) গুলশান থানার ওসি কামরুজ্জামান জানিয়েছিলেন, সাংবাদিক নিখোঁজের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। মুশফিককে খুঁজে পেতে সব ধরনের চেষ্টা তারা চালাচ্ছেন।

তিনি জানান, দ্রুতই তার খোঁজ পাওয়া যাবে। এছাড়া সাংবাদিক মুশফিককে উদ্ধারে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বিবি/জেজে