বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের রূপকার। বঙ্গবন্ধু দেশের সুবিধা বঞ্চিত ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমেদ চৌধুরী মিলনায়তনে ডাকসু আয়োজিত স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে উপাচার্য এ কথা বলেন।
স্মারক বক্তৃতা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, ডাকসু’র জিএস গোলাম রাব্বানী ও এজিএস মো. সাদ্দাম হোসেন আলোচনায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্ণর অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান ‘বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক ভাবনা’ শীর্ষক স্মারক বক্তৃতা প্রদান করেন।
স্মারক বক্তৃতায় অধ্যাপক ড. আতিউর রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহনের পর প্রশাসনিক ব্যবস্থার পুনর্গঠন, সংবিধান প্রণয়ন, শরণার্থী পুনর্বাসন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা ব্যবস্থার সম্প্রসারণ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা, ৪০ হাজার প্রাথমিক স্কুল সরকারিকরণ, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট গঠন, কৃষি ঋণ বিতরণ, কৃষকদের মাঝে গাভী ও সেচ পাম্প বিতরণসহ যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশ গঠনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেন। তাঁর দেখানো পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার দেশকে সমৃদ্ধি ও উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।”
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ


























