জি বাংলায় শুরু হওয়া ‘একাই একশো’-র চারটি পর্বজুড়ে তুলে ধরা হবে সেই সমস্ত নারীদের কথা যাঁরা নিজস্ব ক্ষেত্রে সত্যিই একশো শতাংশ প্রমাণ করার পাশাপাশি অণুপ্রাণিত করেছেন অন্যদের। প্রসঙ্গত, এই শোয়ের প্রথম সিজনে উঠে এসেছিল বাংলার প্রথম মহিলা ট্যাক্সিচালকের কাহিনি। যিনি সমাজের বাধা-বিপত্তিকে তোয়াক্কা না করে হাতে তুলে নিয়েছিলেন গাড়ির স্টিয়ারিং কিংবা সেই সমাজকর্মী মহিলা, যিনি জেলবন্দি তথা সংশোধনাগারে থাকা মানুষদের সংগীত ও শিল্পকলার হাত ধরে শিক্ষিত করে তোলার চেষ্টায় ব্রতী হয়েছেন। এই সমস্ত নারীদের অনন্য কাহিনিকেই তুলে ধরা হয় জি বাংলার সাপ্তাহিক বিশেষ অনুষ্ঠান ‘একাই একশো’-র মাধ্যমে। তারই বিশেষ পর্বে থাকছেন মিমি চক্রবর্তী।
এবারে ‘একাই একশো’-তে রয়েছে এক অন্য চমক। একজন প্রগতিশীল, মানসিকভাবে দৃঢ়চেতা নারী হিসাবে এই শোয়ের একটি পর্বে প্রথমবার দেখা যাবে টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তথা লোকসভার সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে। নিজের জীবনের অভিজ্ঞতার কথা তিনি এদিনের পর্বে ভাগ করে নেবেন সমাজের অন্যান্য প্রগতিশীল ‘একাই একশো’র অনন্য মহিলাদের সঙ্গে। শোয়ের ফাইনাল পর্বে নিজ নিজ ক্ষেত্রের একাই একশো মহিলাদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতে উঠবেন বিদ্যা বালান।
‘একাই একশো’র সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে মিমি বলেন, “এই শোয়ের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে আমি ভীষণ গর্বিত। এই বিষয় ভাবনাটি আমার মনের খুব কাছের। আমি আমার দৈনন্দিন জীবনের চারপাশে এরকম বহু ‘একাই একশো’ মহিলাদের দেখেছি। আর তাঁদের মনের জোর ১০০ শতাংশর সমান। তাদের গল্পগুলো আমাদের দারুণভাবে অণুপ্রাণিত করে। আমার জীবনে আমার মা থেকে শুরু করে যাদের সঙ্গে আমি প্রতিদিন কাজ করি তাঁরা সকলেই আমায় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছেন প্রতিনিয়ত। তাই এই শোয়ে সেইরকম অনুপ্রেরণাদাত্রী মহিলাদের সঙ্গে দেখা করা এবং নানা গল্প আদান-প্রদান করার অভিজ্ঞতা আমার কাছে অনন্য।’’
বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ


























