আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করা মামলায় রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার আবদুস সামাদ (মুসা) ওরফে ফিরোজ খাঁর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের সময় চার সাঁওতালসহ ১৫ জনকে হত্যার অভিযোগ রয়েছে। ২৭ আগস্ট (মঙ্গলবার) সেই মামলার রায় ঘোষণা করা হবে।
চেয়ারম্যান বিচারপতি শাহিনুর ইসলামের নেতৃত্বে ট্রাইব্যুনাল ২৬ আগস্ট গতকাল (সোমবার) এই আদেশ দেন। মামলায় প্রসিকিউশন পক্ষে শুনানিতে ছিলেন দুই প্রসিকিউটর ঋষিকেশ সাহা ও জাহিদ ইমাম। আর আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুস সাত্তার পালোয়ান।
এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত চলাকালে নাশকতার অন্য এক মামলায় গ্রেপ্তার হন সামাদ। ২০১৭ সালে ২৪ জানুয়ারি তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ৮ জুলাই থেকে ট্রাইব্যুনালে রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে মামলাটি। এর আগে উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হয়েছে।
মামলাটি প্রসঙ্গে গত বছরের ১৪ জানুয়ারি তদন্ত সংস্থার ব্রিফিংয়ে বলা হয়, পুঠিয়ার বাঁশবাড়ী এলাকার মৃত আব্বাস আলীর ছেলে মো. আব্দুস সামাদ যুদ্ধের আগে মুসলিম লীগ সমর্থক ছিলেন। যুদ্ধের সময় জামায়াতের সমর্থক হিসেবে শান্তি কমিটির স্থানীয় নেতার নেতৃত্বে মানবতাবিরোধী অপরাধে লিপ্ত হন।
প্রতিবেদনে এই আসামির বিরুদ্ধে ১৫ জনকে হত্যা, ২১ জনকে নির্যাতন, বাড়িঘর লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগ করে ধ্বংস করার পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ-/এমএ




















