০৮:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬

বঙ্গবন্ধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস, সংগ্রাম : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘স্মরণে শপথে ১৫ আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন।

শনিবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এলামনাই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল, বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত সহযোগী হাজী গোলাম মোর্শেদ ও কবি নির্মলেন্দু গুণ প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস, সংগ্রাম। তার জীবনকে একটি দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছি। পাকিস্তান আন্দোলনে তেজস্বী ভূমিকা পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আরো বলেন, যে দিন পাকিস্তানীরা বলেছিলো যে উর্দুই হবে পাকিস্থানের রাষ্ট্র ভাষা সে দিনই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি আসবে না। ইংরেজ প্রভূর বদলে পাঞ্জাবি প্রভূ পেয়েছে বাঙালীরা।

বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত সহযোগী হাজী গোলাম মোর্শেদ অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করেন। এসময়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তাজ উদ্দিন আহমেদের মধ্যে যে বিভেদ রেখা টানা হয় তা কখনো ছিল না। এটি মূলত ভুল ধারণ আপনারা এটি মুছে দিন। এক্ষেত্রে সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি।

৭ ই মার্চ ভাষনের জন্য যাওয়ার পথে আমি বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম কি বলবেন আজ? তিনি বললেন মুকজে যাই আসে আজ তাই বলবো। তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, সেদিন বঙ্গবন্ধুর কন্ঠে আল্লাহ ভর করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, সমুদ্র সম্পদকে যদি যথাযথ ব্যবহার করতে পারি তাহলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ইন্ধিরা মুজিব চুক্তিকে তখন অনেক বলেছেন যে এটি একটি গোলামির চুক্তি। কিন্তু এ চুক্তি বাস্তবায়নের পর দেখা যায় যে, আমাদেরই জয় হয়েছে।

কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতে লিখেছি এটা আমার সৌভাগ্য। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিলো তারা আমাকেও কষ্টে ফেলেদিয়েছেন। কারণ তিনি বেঁচে থাকলে তো আমাকে আর কষ্ট করে কবিতা লিখতে হতো না।

এসময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে কালো বেজ ধারণ করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

 

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ময়মনসিংহে ৩ দিনব্যাপী কৃষি মেলা শুরু

বঙ্গবন্ধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস, সংগ্রাম : মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৮:১৬:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০১৯

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৪ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ‘স্মরণে শপথে ১৫ আগস্ট’ শীর্ষক আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশন।

শনিবার (৩১ আগস্ট) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এলামনাই অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।

ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি এ কে আজাদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক কৃষি মন্ত্রী বেগম মতিয়া চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল, বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত সহযোগী হাজী গোলাম মোর্শেদ ও কবি নির্মলেন্দু গুণ প্রমুখ।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী মোজাম্মেল হক বলেন, বঙ্গবন্ধু একটি নাম নয়, একটি ইতিহাস, সংগ্রাম। তার জীবনকে একটি দর্শন হিসেবে গ্রহণ করেছি। পাকিস্তান আন্দোলনে তেজস্বী ভূমিকা পালন করেন।

মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আরো বলেন, যে দিন পাকিস্তানীরা বলেছিলো যে উর্দুই হবে পাকিস্থানের রাষ্ট্র ভাষা সে দিনই তিনি বুঝতে পেরেছিলেন পাকিস্তানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তি আসবে না। ইংরেজ প্রভূর বদলে পাঞ্জাবি প্রভূ পেয়েছে বাঙালীরা।

বঙ্গবন্ধুর ব্যাক্তিগত সহযোগী হাজী গোলাম মোর্শেদ অনুষ্ঠানে স্মৃতিচারণ করেন। এসময়ে তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু ও তাজ উদ্দিন আহমেদের মধ্যে যে বিভেদ রেখা টানা হয় তা কখনো ছিল না। এটি মূলত ভুল ধারণ আপনারা এটি মুছে দিন। এক্ষেত্রে সহায়তা করার আশ্বাস দেন তিনি।

৭ ই মার্চ ভাষনের জন্য যাওয়ার পথে আমি বঙ্গবন্ধুকে জিজ্ঞাসা করলাম কি বলবেন আজ? তিনি বললেন মুকজে যাই আসে আজ তাই বলবো। তিনি আরো বলেন, আমি বিশ্বাস করি যে, সেদিন বঙ্গবন্ধুর কন্ঠে আল্লাহ ভর করেছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. এস এম মাকসুদ কামাল বলেন, সমুদ্র সম্পদকে যদি যথাযথ ব্যবহার করতে পারি তাহলে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে তোলা সম্ভব হবে। ইন্ধিরা মুজিব চুক্তিকে তখন অনেক বলেছেন যে এটি একটি গোলামির চুক্তি। কিন্তু এ চুক্তি বাস্তবায়নের পর দেখা যায় যে, আমাদেরই জয় হয়েছে।

কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে কবিতে লিখেছি এটা আমার সৌভাগ্য। যারা বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিলো তারা আমাকেও কষ্টে ফেলেদিয়েছেন। কারণ তিনি বেঁচে থাকলে তো আমাকে আর কষ্ট করে কবিতা লিখতে হতো না।

এসময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীসহ অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলে কালো বেজ ধারণ করেন।

বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ