আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মানবাধিকার বলতে যা বোঝায়, কাশ্মীরে তা এখন বিপন্ন বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব। কাশ্মীর প্রসঙ্গে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি ওই মন্তব্য করেছেন।
ডমিনিক রাব বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সমাজের একটা সার্বিক দায়িত্ব আছে। আমরা অবশ্যই পরিস্থিতি খতিয়ে দেখব এবং অধিকারগুলো রক্ষিত হচ্ছে কি না, সেদিকে নজর রাখব। তাঁর মতে, কাশ্মীর সমস্যা ভারত-পাকিস্তানের দ্বিপক্ষীয় বিষয়। জাতিসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব ও শিমলা চুক্তি মেনে সেই সমস্যা তাদেরই মেটাতে হবে। কিন্তু কাশ্মীরের মানবাধিকারের বিষয়টি আন্তর্জাতিক। পার্লামেন্টে লেবার, কনজারভেটিভ, এসএনপি এমপিরা কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পরে উপত্যকার পরিস্থিতি নিয়ে সোচ্চার হন।
লেবার এমপি হিউ গ্যাফনি বলেন, কাশ্মীরে ওষুধের সঞ্চয় কমছে। হাসপাতালে চিকিৎসা হচ্ছে না। উপত্যকায় ৯০ শতাংশের বেশি ওষুধপত্র আসে ভারতের মূল ভূখণ্ড থেকে। আরেক লেবার এমপি পল ব্লমফিল্ড জানতে চান, কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা ফিরিয়ে দিতে জাতিসঙ্ঘ ও কমনওয়েলথের মাধ্যমে ভারতের উপরে চাপ বাড়ানো হবে কি না। কনজারভেটিভ এমপি শেরিল গিলান বলেন, তাঁর নির্বাচনী কেন্দ্রের অনেকেই কাশ্মীরের জনবিন্যাস পাল্টে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন। এছাড়া গ্লাসগোর এমপি অ্যালিসন থিউলিস স্কটল্যান্ডের কাশ্মীরিদের উদ্বেগের কথা জানান। ৩৭০ ধারা বিলোপ প্রসঙ্গে কনজারভেটিভ এমপি বব ব্ল্যাকম্যানের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রাব বলেন, ‘লোকজনকে আটক, নির্যাতন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করা নিয়ে প্রচুর খবর ঘুরছে।
ভারতের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতাকে মান্যতা দিয়েও ‘মানবাধিকার রক্ষা’র বিষয়টিতে জোর দেয়া হচ্ছে। এদিকে কাশ্মীর ইস্যুতে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা চরমে রয়েছে।
























