০১:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মোদিকে জড়িয়ে কাঁদলেন ইসরোর চেয়ারম্যান

চোখ মেলে তাকিয়েছিল প্রায় গোটা ভারত। মধ্যরাতে চাঁদের মাটিতে ভারতের বিক্রম দেখতে হাজির ছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে চন্দ্রযান-২। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শনিবার চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণের কয়েক সেকেন্ড আগেই এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এতে ভেঙে পড়েছেন ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) বিজ্ঞানীরা। ইসরোর প্রধান বিজ্ঞানী ড. কে শিবন কান্নায় ভেঙে পড়েন। আবেগে তাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছবি ছড়িয়ে পড়ল সবখানে। ইসরোর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে প্রায় সারা রাত জেগে গোটা ঘটনা দেখার পর শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে গলা ধরে আসে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবনও নিজের আবেগকে সামলাতে পারলেন না। প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললেন তিনি। খবর আনন্দবাজারের।

ইসরো থেকেই শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন মোদি। এ সময় বিশাল এই কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরোকে কুর্নিশ জানান তিনি। বিজ্ঞানীদের উজ্জীবিত করতে তিনি বলেন, ‘লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত আমরা দাঁড়াব না। আমরা আত্মবিশ্বাসী, সফল আমরা হবই। আমাদের কেউ রুখতে পারবেন না। শুক্রবার মধ্যরাত ছিল ইসরোর জন্যে অগ্নিপরীক্ষা। সব ঠিক থাকলে রাত ১টা ৫১ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রেখে ইতিহাস গড়তে পারত ভারত। কিন্তু বিজ্ঞানীদের চূড়ান্ত উৎকণ্ঠার মধ্যে ফেলে চাঁদের মাটি থেকে মাত্র ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দূরে অরবিটারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় বিক্রমের। ফলে গ্রাউন্ড স্টেশনও আর কোনও সঙ্কেত পায়নি। এই পুরো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন মোদি।

চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগে ল্যান্ডার ‘বিক্রমের’ সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরই হতাশা ছড়িয়ে পড়ে ইসরোয়। পাশে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব বিজ্ঞানীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘পাশে আছি আমি, হতাশ হবেন না। এ ব্যর্থতায় আমরা পিছিয়ে পড়িনি। ভেঙে পড়ার কিছু নেই। বিশ্বাস রাখুন নিজেদের ওপর, এগিয়ে যান। দেশ আপনাদের জন্য গর্বিত। শিগগিরই আমাদের সুসময় আসবে। মনোবল ভেঙে যাওয়া বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘চাঁদে যাওয়ার জন্য আমাদের মনোবল আরও দৃঢ় হলো।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব।

আরও ভালো কিছু করে দেখাব। আর এ কারণেই আমাদের সভ্যতা এত উঁচুতে পৌঁছেছে।’

 

বিজনেস বাংলাদেশ/শ

ট্যাগ :

৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন জামায়াত আমির

মোদিকে জড়িয়ে কাঁদলেন ইসরোর চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ০৯:২২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চোখ মেলে তাকিয়েছিল প্রায় গোটা ভারত। মধ্যরাতে চাঁদের মাটিতে ভারতের বিক্রম দেখতে হাজির ছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু শেষ মুহূর্তে নিয়ন্ত্রণকক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে চন্দ্রযান-২। সংশ্লিষ্ট বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, শনিবার চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণের কয়েক সেকেন্ড আগেই এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।

এতে ভেঙে পড়েছেন ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশনের (ইসরো) বিজ্ঞানীরা। ইসরোর প্রধান বিজ্ঞানী ড. কে শিবন কান্নায় ভেঙে পড়েন। আবেগে তাকে জড়িয়ে ধরে সান্ত্বনা দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এ ছবি ছড়িয়ে পড়ল সবখানে। ইসরোর বিজ্ঞানীদের সঙ্গে প্রায় সারা রাত জেগে গোটা ঘটনা দেখার পর শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে গিয়ে গলা ধরে আসে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ইসরোর চেয়ারম্যান কে শিবনও নিজের আবেগকে সামলাতে পারলেন না। প্রধানমন্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেললেন তিনি। খবর আনন্দবাজারের।

ইসরো থেকেই শনিবার সকালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন মোদি। এ সময় বিশাল এই কর্মকাণ্ডের জন্য ইসরোকে কুর্নিশ জানান তিনি। বিজ্ঞানীদের উজ্জীবিত করতে তিনি বলেন, ‘লক্ষ্যে না পৌঁছনো পর্যন্ত আমরা দাঁড়াব না। আমরা আত্মবিশ্বাসী, সফল আমরা হবই। আমাদের কেউ রুখতে পারবেন না। শুক্রবার মধ্যরাত ছিল ইসরোর জন্যে অগ্নিপরীক্ষা। সব ঠিক থাকলে রাত ১টা ৫১ মিনিটে চাঁদের মাটিতে পা রেখে ইতিহাস গড়তে পারত ভারত। কিন্তু বিজ্ঞানীদের চূড়ান্ত উৎকণ্ঠার মধ্যে ফেলে চাঁদের মাটি থেকে মাত্র ২ দশমিক ১ কিলোমিটার দূরে অরবিটারের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় বিক্রমের। ফলে গ্রাউন্ড স্টেশনও আর কোনও সঙ্কেত পায়নি। এই পুরো ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন মোদি।

চাঁদের মাটি ছোঁয়ার আগে ল্যান্ডার ‘বিক্রমের’ সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরই হতাশা ছড়িয়ে পড়ে ইসরোয়। পাশে বসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সব বিজ্ঞানীকে সান্ত্বনা দিয়ে বলেন, ‘পাশে আছি আমি, হতাশ হবেন না। এ ব্যর্থতায় আমরা পিছিয়ে পড়িনি। ভেঙে পড়ার কিছু নেই। বিশ্বাস রাখুন নিজেদের ওপর, এগিয়ে যান। দেশ আপনাদের জন্য গর্বিত। শিগগিরই আমাদের সুসময় আসবে। মনোবল ভেঙে যাওয়া বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে মোদি বলেন, ‘চাঁদে যাওয়ার জন্য আমাদের মনোবল আরও দৃঢ় হলো।’ তিনি বলেন, ‘আমরা আবার ঘুরে দাঁড়াব।

আরও ভালো কিছু করে দেখাব। আর এ কারণেই আমাদের সভ্যতা এত উঁচুতে পৌঁছেছে।’

 

বিজনেস বাংলাদেশ/শ