‘গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য খন্দকার মোশতাকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। খন্দকার মোশতাক যেমন বঙ্গবন্ধুর খুব কাছে থেকে তার সাথে বেঈমানি করেছে তেমনি খন্দকার নাসির উদ্দীন বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হয়ে তাঁর আদর্শের সাথে বেঈমানি করেছে।’
সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বশেমুরবিপ্রবি’র বিতর্কিত উপাচার্যকে অপসারণ এবং অন্যায়ভাবে বহিষ্কৃত শিক্ষার্থী ফাতেমা তুজ জিনিয়ার বহিষ্কারাদেশ বাতিল করে ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ। এ সময় মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল এই কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, ‘যে বঙ্গবন্ধু সারাজীবন স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, সেই বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য স্বৈরশাসন কায়েম করেছে। এটি মেনে নেওয়া যায় না।’
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) সভাপতি রায়হানুল ইসলাম আবির বলেন, ‘সামান্য কারণে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার এবং গুন্ডা বাহিনী ব্যবহার করে প্রতিবাদকারীদের উপর হামলা করা হয়েছে।’
ডুজা’র সাধারণ সম্পাদক মাহদী আল মুহতাসিম বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে মত প্রকাশের স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে। ভিন্নমত যেখানে গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। কিন্তু বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্য যেভাবে একজন শিক্ষার্থীকে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরন করেছে, এতে সংবিধান অমান্য করা হয়েছে।’
তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের দাবি যত দ্রুত সম্ভব জিনিয়ার ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দেওয়া হোক এবং স্বৈরাচারী প্রশাসকের বিরুদ্ধে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হোক।’
মানববন্ধনে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ ঢাবি শাখার সাধারণ সম্পাদক আল মামুন বলেন, ‘গোপালগঞ্জ হচ্ছে বঙ্গবন্ধুর নিজ জায়গা। এখানে বঙ্গবন্ধুর নামে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে অগণতান্ত্রিকভাবে বহিষ্কার করেছে। বঙ্গবন্ধু যেখানে সারাজীবন এদেশের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন করে গেছেন সেখানে একজন ভিসি কিভাবে একজন শিক্ষার্থীকে শুধুমাত্র তার মতামত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিষ্কার করেছে। আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে এ ‘স্বৈরাচার’ ভিসির পদত্যাগ চাই।’
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ


























