১২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

নারী চা শ্রমিকদের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প

সিলেট বিভাগের চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে চারটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় দুই বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৭ কোটি টাকা)। চা শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং পরিবারের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প কাজ করবে।

শনিবার রাজধানীর কাওরানবাজারে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে (ডিআইএফই) এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নের চারটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সহযোগিতা দেবে। এগুলো হলো আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ, জাতিসংঘের নারীবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড নেশন উইমেন (ইউএন উইমেন)।

এ সময় জানানো হয়, চা শ্রমিকরা অসুস্থ্যতা, চাকরি বা আয়ের নিরাপত্তাহীনতা এবং বার্ধক্যজনিত শারীরিক দুর্বলতাসহ নানা সমস্যায় পড়েন। তাদের মাঝে মাদক, পারিবারিক সহিংসতা, জোরপূর্বক বিবাহ, বাল্য বিবাহ, কৈশোরে গর্ভধারণ, যৌন হয়রানি এবং বহুবিবাহের মতো অনেক সমস্যা বিরাজমান।

এক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চা শিল্পের এসব সমস্যা নিরসন করা সহজ হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সচিব কে এম আলী আজম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, ঢাকায় আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়াইনেনসহ উন্নয়ন সহযোগিদের প্রতিনিধিরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

তুষারঝড়-তীব্র ঠান্ডায় বিপর্যস্ত যুক্তরাষ্ট্র, ৩০ জনের মৃত্যু

নারী চা শ্রমিকদের উন্নয়নে ১৭ কোটি টাকার প্রকল্প

প্রকাশিত : ০৫:৫৩:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯

সিলেট বিভাগের চা বাগানের নারী শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে চারটি আন্তর্জাতিক সংস্থার সহযোগিতায় দুই বছর মেয়াদি একটি প্রকল্প গ্রহণ করতে যাচ্ছে সরকার। এতে ব্যয় হবে ২০ লাখ মার্কিন ডলার (প্রায় ১৭ কোটি টাকা)। চা শ্রমিকদের জীবনমানের উন্নয়ন এবং পরিবারের সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এ প্রকল্প কাজ করবে।

শনিবার রাজধানীর কাওরানবাজারে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরে (ডিআইএফই) এক সভায় এ তথ্য জানানো হয়। শ্রম মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজমের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এসডিজি বিষয়ক মূখ্য সমন্বয়কারী আবুল কালাম আজাদ।

এ প্রকল্প বাস্তবায়নের চারটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সহযোগিতা দেবে। এগুলো হলো আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও), জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (ইউএনএফপিএ), জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফ, জাতিসংঘের নারীবিষয়ক সংস্থা ইউনাইটেড নেশন উইমেন (ইউএন উইমেন)।

এ সময় জানানো হয়, চা শ্রমিকরা অসুস্থ্যতা, চাকরি বা আয়ের নিরাপত্তাহীনতা এবং বার্ধক্যজনিত শারীরিক দুর্বলতাসহ নানা সমস্যায় পড়েন। তাদের মাঝে মাদক, পারিবারিক সহিংসতা, জোরপূর্বক বিবাহ, বাল্য বিবাহ, কৈশোরে গর্ভধারণ, যৌন হয়রানি এবং বহুবিবাহের মতো অনেক সমস্যা বিরাজমান।

এক্ষেত্রে নারী শ্রমিকরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন। এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চা শিল্পের এসব সমস্যা নিরসন করা সহজ হবে।

সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে সচিব কে এম আলী আজম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, ঢাকায় আইএলও’র কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পুটিয়াইনেনসহ উন্নয়ন সহযোগিদের প্রতিনিধিরা।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান