০৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

কেজিতে ১৫ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম

কোরবানি ঈদের পর থেকেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। এরপর হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় এক লাফে দাম বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ১৩০ টাকায়। তবে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

গত বুধবার রাজধানীতে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ আজ বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকায়। আর বিদেশি অর্থাৎ ভারতীয় কিংবা মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯৫ টাকা কেজিতে। ফলে এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দম কমেছে ১৫ টাকার বেশি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কমলাপুর, মতিঝিল এজিবি কলোনি এবং শান্তিনগর কাঁচাবাজার এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বুধবারের কেনা দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তবে বৃহস্পতিবার কেনা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

তারা বলছেন, দু’একদিনের মধ্যে দাম আরও কমবে। শান্তিনগরের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে হঠাৎ করে দাম বেড়েছে। তবে মিয়ানমারসহ অনান্য দেশ থেকে সরকার জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানি করায় বিদ্যমান সংকট কমে আসছে। এ কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে। উল্লেখ্য, বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম ৮০ টাকায় নামবে। তিনি বলেন, বাজারে পেঁয়াজের দাম শিগগিরই কমে আসবে। এরই মধ্যে মিয়ানমার থেকে ৪৮৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আনা হয়েছে।

আরো ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে পৌঁছানোর অপেক্ষায়। মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনই পেঁয়াজ কম বেশি আমদানি করা হচ্ছে। কেজি প্রতি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ৪৫ টাকা। পাইকারি মূল্য, যাতায়াত মূল্য, সব মিলিয়ে ৫০ কিংবা ৬০ টাকা কেজি হওয়া উচিত। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ খুঁজতে ১০টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং গুদামকে জরিমানা করা হচ্ছে।

তবে দেশে কি পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ আছে সে হিসাব সরকারের কাছে নেই বলেও জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/শ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

কেজিতে ১৫ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত : ০৯:২৫:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর ২০১৯

কোরবানি ঈদের পর থেকেই পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করে। এরপর হঠাৎ করেই ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় এক লাফে দাম বেড়ে গিয়ে দাড়ায় ১৩০ টাকায়। তবে হঠাৎ করে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়া পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

গত বুধবার রাজধানীতে ১৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া দেশি পেঁয়াজ আজ বৃহস্পতিবার বিক্রি হচ্ছে ১১০-১১৫ টাকায়। আর বিদেশি অর্থাৎ ভারতীয় কিংবা মিয়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৮৫-৯৫ টাকা কেজিতে। ফলে এক দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের দম কমেছে ১৫ টাকার বেশি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর কমলাপুর, মতিঝিল এজিবি কলোনি এবং শান্তিনগর কাঁচাবাজার এলাকা ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বুধবারের কেনা দেশি পেঁয়াজ ১১০ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তবে বৃহস্পতিবার কেনা প্রতি কেজি পেঁয়াজ ১০০ টাকা দরে বিক্রি করছেন।

তারা বলছেন, দু’একদিনের মধ্যে দাম আরও কমবে। শান্তিনগরের এক পেঁয়াজ ব্যবসায়ী বলেন, ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার ফলে হঠাৎ করে দাম বেড়েছে। তবে মিয়ানমারসহ অনান্য দেশ থেকে সরকার জরুরি ভিত্তিতে পেঁয়াজ আমদানি করায় বিদ্যমান সংকট কমে আসছে। এ কারণে পেঁয়াজের দাম কমছে। উল্লেখ্য, বুধবার বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, আগামী দুই-এক দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম ৮০ টাকায় নামবে। তিনি বলেন, বাজারে পেঁয়াজের দাম শিগগিরই কমে আসবে। এরই মধ্যে মিয়ানমার থেকে ৪৮৩ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আনা হয়েছে।

আরো ৫০০ মেট্রিক টন পেঁয়াজ দেশে পৌঁছানোর অপেক্ষায়। মন্ত্রী বলেন, প্রতিদিনই পেঁয়াজ কম বেশি আমদানি করা হচ্ছে। কেজি প্রতি পেঁয়াজের আমদানি মূল্য ৪৫ টাকা। পাইকারি মূল্য, যাতায়াত মূল্য, সব মিলিয়ে ৫০ কিংবা ৬০ টাকা কেজি হওয়া উচিত। পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণ খুঁজতে ১০টি মনিটরিং টিম কাজ করছে। বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং গুদামকে জরিমানা করা হচ্ছে।

তবে দেশে কি পরিমাণ পেঁয়াজ মজুদ আছে সে হিসাব সরকারের কাছে নেই বলেও জানান তিনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/শ