মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান কোন ক্ষমতায় এখনো শিল্পী সমিতিরি চেয়ারে বসেন এমন প্রশ্ন তুলেছেন নির্বাচন কমিশনার ইলিয়াস কাঞ্চনের কাছে নায়ক ওমর সানী। জনপ্রিয় এই নায়কের ফেসবুকে শনিবার (৫ অক্টোবর) এক স্ট্যাটাসে এমন জিজ্ঞাসা নির্বাচন কমিশনারের কাছে।
ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি পাঠকের জন্য হুবহু তুলেধরা হল-
গতকাল ৪ আক্টোবর, রোজ শুক্রবার হয়ে গেল আমাদের শিল্পী সমিতির এজিএম ঠিক দুপুর থেকে সন্ধ্যার মধ্যে যে কোন এক মুহূর্তে এই ছবিগুলো। আপনারা সবাই জানেন শিল্পী সমিতির সভাপতি সেক্রেটারি এখন প্রাক্তন। তারা কোন ক্ষমতাই নাই।
পুরো সমিতির দায়িত্বে আছেন নির্বাচন কমিশনার, আমাদের শ্রদ্ধেয় কাঞ্চন ভাই। কিন্তু তার অনুপস্থিতিতে আমি জানি কাঞ্চন ভাই জানে না, আমার বিশ্বাস। কি করে এই দুই চেয়ারে এখন তারা বসেন। তারা তো ওই চেয়ারে বসতে পারেনা। অন্য শিল্পীরা যারা ছিলেন তাদের তো কোনো দোষ নেই। মিশা, জায়েদ ,কি করে সাহস পান। কাঞ্চন ভাই আপনার উপরে অগাধ বিশ্বাস। আপনি দেখবেন বিষয়টি। আমার সহশিল্পী দের উদ্দেশ্যে বলছি। আমি কি কোন ভুল বললাম । ভুল হলে শুধরে নিব। ক্ষমা করবেন।

এদিকে ২৫ অক্টোবর বাংলাদেশ শিল্পী সমিতির ২০১৯-২১ মেয়াদি নির্বাচন। এবারের নির্বাচনে সভাপতি পদে নির্বাচন করছেন ওমর সানী স্ত্রী নায়িকা মৌসুমী । তার সঙ্গে ফেরদৌস, রিয়াজ, পূর্ণিমা, পপি, নিপুণ, ইমনসহ অনেকেই পাশে ছিলেন মৌসুমীর। কিন্তু হঠাৎ তার পাশ থেকে সরে গেলেন সবাই। একা হয়ে পড়েছেন বাংলা চলচ্চিত্রের ‘প্রিয়দর্শিনী’।
উপরে যাদের নাম লেখা হয়েছে তাদের উৎসাহ-উদ্দীপনায় ডি এ তায়েবের সঙ্গে জোট বেঁধে শিল্পী সমিতির নির্বাচন করতে চাচ্ছিলেন মৌসুমী। নিজেকে সভাপতি ও তায়েবকে সম্পাদক করে প্যানেলও আহ্বান করেছিলেন।
১ অক্টোবর ২১ পদে ৩০টি মনোনয়ন ফরমও তুলেছিল প্যানেলটি। এতেই থাকার কথা ছিল ফেরদৌস, রিয়াজ, পূর্ণিমা, পপি, নিপুণ, ইমনসহ আরও কয়েকজন অভিনতো-অভিনেত্রীর। কিন্তু তারা সবাই সটকে পড়েছেন। তাই সভাপতি পদে সতন্ত্র নির্বাচন করছেন ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ সিনেমায় অভিষিক্ত এই অভিনেত্রী।
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

























