২০১৯-২০ বর্ষে শেষ হয়েছে এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা। আগে ওএমআরসহ প্রশ্নপত্র ছিল ৮ পৃষ্ঠা। এবার ২ পৃষ্ঠা করা হয়েছে, এতে কোনো সেলাই নেই।
রাজধানীসহ সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৩২টি ভেন্যুতে সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজের এমবিবিএস প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা হয়েছে। শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা হয়।
এবারের পরীক্ষায় অংশ নেন মোট ৭২ হাজার ৯২৮ ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় এবার সাত হাজার ৯ জন বেশি। ৩৬টি সরকারি এবং ৭০টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের মোট আসনসংখ্যা ১০ হাজার ৪০৪।
এর মধ্যে এবার ঢাকা মহানগরের পাঁচটি কেন্দ্রের ১১টি ভেন্যুতে ৩৫ হাজার ৯৮৫ জন এবং ঢাকার বাইরে ১৫টি জেলায় ৩৬ হাজার ৯৪৩ জন পরীক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুপ্রিয় কুমার কুন্ডু বলেন, সাইবার ক্রাইম প্রতিরোধ, পরীক্ষার দিন সড়ক-মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের নির্বিঘ্নে চলাচল, নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, কোচিং সেন্টার বন্ধ করা, ফটোকপি মেশিন বন্ধ রাখা, পরীক্ষা কেন্দ্রের আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, প্রশ্ন ও উত্তরপত্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, কুচক্রী মহলের অপরাধ তৎপরতা বন্ধে কাজ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ বলেন, এবার ৮ পাতার দীর্ঘ প্রশ্নপত্র নয়, কেবল দুই পাতার একটি প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা হয়। এ ছাড়া নতুন পদ্ধতিতে যতজন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন ঠিক ততটি আলাদা প্রশ্নপত্র রাখা হয়।
ভর্তি পরীক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, পরিদর্শনকারী টিমসহ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইল ফোন, ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ক্যালকুলেটর, ঘড়ি, হেডফোনসহ অন্যান্য ইলেকট্রনিক ডিভাইস পরীক্ষা কেন্দ্রে আনা, বহন ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
পাশাপাশি ভর্তিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার দিন সকাল ৯টার মধ্যে অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে নির্দেশনা দেয় কর্তৃপক্ষ।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























