০১:১৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

মাকে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছে ছেলে!

কলকাতার সোনারপুরের চলপাড়ায় নব্বই ঊর্ধ্ব এক বৃদ্ধা মাকে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলে ও ছেলের বউয়ের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চলপাড়ার এলাকাবাসী স্থানীয় পৌরসভা চেয়ারম্যান পল্লব দাসের কাছে অভিযোগ করে জানায়, বৃদ্ধা মিতা দাসের ছেলে খোকন দাস সোনারপুর ভূমি রাজস্ব দফতরে চাকরি করেন। অথচ তার বৃদ্ধা মাকে সারা বছর সকাল থেকে বাড়ির বাইরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এমনকি শীতকালেও। সারাদিন তাকে মশা কামড়ায়।
২৭ নভেম্বর সোমবার বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মিতা দাসের বাড়িতে যান পৌরসভা চেয়ারম্যান। তিনি গিয়ে দেখতে পান, গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় শুয়ে রয়েছে ওই বৃদ্ধা। পরে তিনি তাৎক্ষনিক বাঁধন খুলে বৃদ্ধা মাকে ঘরে পৌঁছে দেন।
এই ঘটনাকে অমানবিকতা ছাড়া আর কী বলা যায় প্রশ্ন করে পল্লব দাস জানান, বৃদ্ধ বয়সী মায়ের যত্ন না নিয়ে উল্টা মাকে কষ্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে। আবার এমন হলে কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন তিনি।
এদিকে শাশুড়িকে দেখভাল করার জন্য আয়া রাখা হয়েছে দাবি করে চেয়ারম্যানকে জানান, তার শাশুড়ির বয়স প্রায় নব্বই ছাড়িয়ে গেছেন। এদিক ওদিক চলে যান। সেই কারণেই গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

চাঁদাবাজদের হাতেও সম্মানের কাজ তুলে দেবো: জামায়াত আমির

মাকে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখেছে ছেলে!

প্রকাশিত : ১০:১১:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৭

কলকাতার সোনারপুরের চলপাড়ায় নব্বই ঊর্ধ্ব এক বৃদ্ধা মাকে গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখার অভিযোগ উঠেছে তার ছেলে ও ছেলের বউয়ের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি চলপাড়ার এলাকাবাসী স্থানীয় পৌরসভা চেয়ারম্যান পল্লব দাসের কাছে অভিযোগ করে জানায়, বৃদ্ধা মিতা দাসের ছেলে খোকন দাস সোনারপুর ভূমি রাজস্ব দফতরে চাকরি করেন। অথচ তার বৃদ্ধা মাকে সারা বছর সকাল থেকে বাড়ির বাইরে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়। এমনকি শীতকালেও। সারাদিন তাকে মশা কামড়ায়।
২৭ নভেম্বর সোমবার বিকেলে স্থানীয়দের অভিযোগ খতিয়ে দেখতে মিতা দাসের বাড়িতে যান পৌরসভা চেয়ারম্যান। তিনি গিয়ে দেখতে পান, গাছের সঙ্গে দড়ি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় শুয়ে রয়েছে ওই বৃদ্ধা। পরে তিনি তাৎক্ষনিক বাঁধন খুলে বৃদ্ধা মাকে ঘরে পৌঁছে দেন।
এই ঘটনাকে অমানবিকতা ছাড়া আর কী বলা যায় প্রশ্ন করে পল্লব দাস জানান, বৃদ্ধ বয়সী মায়ের যত্ন না নিয়ে উল্টা মাকে কষ্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপরে নজর রাখা হচ্ছে। আবার এমন হলে কঠিন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হবেন তিনি।
এদিকে শাশুড়িকে দেখভাল করার জন্য আয়া রাখা হয়েছে দাবি করে চেয়ারম্যানকে জানান, তার শাশুড়ির বয়স প্রায় নব্বই ছাড়িয়ে গেছেন। এদিক ওদিক চলে যান। সেই কারণেই গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।