ভারতীয় শীর্ষ কয়েকটি ক্লাবের নজরে পড়েছে বাংলাদেশ ফুটবল দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়ার উপর। বর্তমানে ফুটবলেও ক্রিকেটের মতো দুর্দান্তভাবে নিজেদের যোগ্যতার জানান দিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে কাতারের বিপক্ষে অসাধারণ খেলার পর ভারতের ঘরের মাঠে রুখে দেওয়া সহজ ব্যাপার নয়। এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের দরুণ ভারতের শীর্ষ কিছু ক্লাবের নজর পড়েছে বাংলাদেশের এই অধিনায়কের উপর।
ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের পর ভারতীয় ক্লাবগুলো এখন সুযোগ খুঁজছে ম্যাচের সেরা ফুটবলারকে দলে ভেড়াতে। ভারতের দুই-তিন ক্লাব থেকে প্রস্তাব পেয়েছেন লাল-সবুজদের অধিনায়ক। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (আইএসএল) খেলতে প্রস্তাব পেয়েছেন এই দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সেরা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার।
প্রস্তাব পাওয়ার বিষয়টি নিজেই জানিয়েছেন জামাল, ‘দুইবার নক করেছে। দুজন এজেন্ট নক করেছে যে আইসএল খেলতে কোন আগ্রহ আছে কিনা।’
ভালো প্রস্তাব পেলে আইএসএলে খেলতে আগ্রহী অধিনায়ক, ‘আমি বলেছি অফার ভালো পাইলে আমি সিদ্ধান্ত নিবো। বলেছি আমি গেলে শুধু জামাল নয় পুরো বাংলাদেশই পাশে থাকবে।’
চলমান আইএসএলে সামনের ডিসেম্বরে একটা ট্রান্সফার উইন্ডো আছে। এক মাসের মধ্যে প্রস্তাবের বিষয়টি নিশ্চিত করবেন জামাল, ‘দুই তিনটা অফার আছে। এক মাস পরে আবার নক করবে বলে জানিয়েছে সামনের ট্রান্সফার উইন্ডোতে।’
এর আগে আশির দশকে হংকং পেশাদার লিগে খেলেছিলেন দেশের ফুটবল কিংবদন্তি এবং বর্তমান বাফুফের সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন। তারপরে তারই উত্তরসূরী সাব্বির, শেখ আসলাম ও মোনেম মুন্নার মতো ফুটবলাররা ভারত মাতিয়েছেন। তার এক দশক পরে ২০১৪ সালে ভারতের ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক লিগে খেলার সুযোগ হয় দেশের জাতীয় দলের তারকা ফুটবলার মামুনুল ইসলাম মামুনের। যদিও অ্যাথলেটিকো দ্য কলকাতার হয়ে বেঞ্চ গরম করতে হয়েছে মামুনকে। নামতে পারেননি একটি ম্যাচও। এর মাঝে গেল বছর নেপালের দ্বিতীয় স্তরের লিগে খেলে এসেছেন গোলরক্ষক নুরুল করিম।
বিজনেস বাংলাদেশ-বি/এইচ

























