চার-ছক্কার ক্রিকেটে পাকিস্তানের সঙ্গে অতীত রেকর্ড মোটেও সুখকর নয় মেয়েদের। গত বছর বাংলাদেশ সফরে এসে সিরিজ জিতেছিল পাকিস্তান। এবার লাহোরে সালমাদের শুরুটা হলো হার দিয়ে।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) সিরিজের প্রথম ম্যাচে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত কুড়ি ওভারে ৭ উইকেটে ১২৬ রান তোলে পাকিস্তান নারী দল। জবাবে ৭ উইকেট খুইয়ে ১১২ রান সংগ্রহ করে সালমারা। তাতে অনেক কাছে গিয়েও শেষমেশ ম্যাচটা ১৪ রানে হারতে হলো অতিথিদের।
যদিও বোলিংয়ে বাংলাদেশ খুব একটা খারাপ করেনি। টস জিতে ব্যাটিংয়ে নামা পাকিস্তানকে শুরুতেই বিপাকে ফেলেন জাহানারা আলম। দলীয় ৪ রানের মাথায় তাদের ওপেনার সাঈদা আমিনকে সরাসরি বোল্ড করেন তিনি। এরপর ১৫ রান যোগ করতেই আরেক উইকেট পড়ে স্বাগতিকদের। এবারও জাহানারার তোপ।
ব্যক্তিগত ৫ রান করে লতা মণ্ডলের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরন পাকিস্তানের আরেক ওপেনার জাভিরা খান। পরপর দুই উইকেট হারিয়ে অনেকটা চাপে পড়ে পাকিস্তান। তবে তৃতীয় উইকেটে মারুফ আর উমাইয়া সোহেলের ব্যাটে ভর করে এগোতে থাকে তারা। এই জুটি থেকে আসে ৬০ রান। তাতেই বদলে যায় পাকিস্তানের স্কোরবোর্ড। তবে ৩৪ রান করা দলনেতা মারুফকে এলবির ফাঁদে ফেলে ব্রেকথ্রো এন দেন লতা মণ্ডল।
তারপর খুব বেশিক্ষণ উইকেটে থিতু হতে পারেননি উমাইয়াও। ৩৩ রান করে রুমানার বলে ফিরে যান সাজঘরে। শেষ দিকে জাহানারা আরেকটা কামড় বসান পাকিস্তান ব্যাটিং লাইনে। সেজন্য লেজের ব্যাটসম্যানরা খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। ততক্ষণে রানও ১শ’র গণ্ডি পেরিয়েছে। বাংলাদেশের পক্ষে একাই চার উইকেট নেন জাহানারা। একটি করে উইকেট শিকার করেছেন পান্না ঘোষ, লতা মণ্ডল ও রুমানা আহমেদ।
বিপরীতে বাংলাদেশের শুরুটা হয়েছে একেবারে ধীরস্থির। যার খেসারত দিতে হয়েছে শেষ দিকেও। তবে রুমানার দারুণ ব্যাটিংয়ে আশা জেগেছিল খানিকটা। দিনশেষে যদিও কাঙ্ক্ষিত গন্তব্যে নোঙর করা হয়নি বাংলাদেশের। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫০ রান করেন রুমানা। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ১৭ রান আসে নিগার সুলতানার ব্যাট থেকে।
বিজনেস বাংলাদেশ/এ আর

























