০৯:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

অসুস্থ দিয়াজের মা

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো অনশন অব্যাহত রেখেছেন মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। টানা অনশনে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন তিনি।

তবে আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানান দিয়াজের বড় বোন জুবাঈদা ছরওয়ার চৌধুরী।

গতকাল সন্ধ্যায় তিনি বলেন, মায়ের শরীর এতটাই দুর্বল হয়ে গেছে, চোখ মেলে তাকাতেও পারছেন না। চিকিৎসক এনে তাকে স্যালাইন ও ইনজেকশন দিয়ে রাখা হয়েছে। মাকে কিছুই খাওয়াতে পারিনি।

গত সোমবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে অনশন শুরু করেন জাহেদা আমিন চৌধুরী।

গত বছরের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় নিজ বাসা থেকে দিয়াজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ছেলেকে হত্যার অভিযোগে গত বছরের ২৪ নভেম্বর তার মা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু (বর্তমানে স্থগিত কমিটি), সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

দিয়াজের মরদেহের প্রথম ময়নাতদন্ত হয় গত বছরের ২১ নভেম্বর। ২৩ নভেম্বর পুলিশ জানায়, দিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে এমন আলামত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মেলেনি। ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দিয়াজের পরিবারসহ ছাত্রলীগের একটি অংশ। পরে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর লাশ কবর থেকে তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। ১১ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক বিভাগে লাশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দিয়াজকে শ্বাস রোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/আলেয়া

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

আপনাদের একটি ভোটই পারে বিএনপিকে ক্ষমতায় নিয়ে আসতে: ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল

অসুস্থ দিয়াজের মা

প্রকাশিত : ০৪:২৫:৫৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ ডিসেম্বর ২০১৭

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহসম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরী হত্যা মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচার দাবিতে চতুর্থ দিনের মতো অনশন অব্যাহত রেখেছেন মা জাহেদা আমিন চৌধুরী। টানা অনশনে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছেন তিনি।

তবে আসামিরা গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত অনশন চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্তে অনড় রয়েছেন তিনি। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এসব তথ্য জানান দিয়াজের বড় বোন জুবাঈদা ছরওয়ার চৌধুরী।

গতকাল সন্ধ্যায় তিনি বলেন, মায়ের শরীর এতটাই দুর্বল হয়ে গেছে, চোখ মেলে তাকাতেও পারছেন না। চিকিৎসক এনে তাকে স্যালাইন ও ইনজেকশন দিয়ে রাখা হয়েছে। মাকে কিছুই খাওয়াতে পারিনি।

গত সোমবার সকাল ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বঙ্গবন্ধু চত্বরে অনশন শুরু করেন জাহেদা আমিন চৌধুরী।

গত বছরের ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেট এলাকায় নিজ বাসা থেকে দিয়াজের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ছেলেকে হত্যার অভিযোগে গত বছরের ২৪ নভেম্বর তার মা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপু (বর্তমানে স্থগিত কমিটি), সাবেক সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।

দিয়াজের মরদেহের প্রথম ময়নাতদন্ত হয় গত বছরের ২১ নভেম্বর। ২৩ নভেম্বর পুলিশ জানায়, দিয়াজকে হত্যা করা হয়েছে এমন আলামত ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে মেলেনি। ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে দিয়াজের পরিবারসহ ছাত্রলীগের একটি অংশ। পরে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর লাশ কবর থেকে তুলে পুনরায় ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। ১১ ডিসেম্বর ঢাকা মেডিকেল কলেজ ফরেনসিক বিভাগে লাশের দ্বিতীয় ময়নাতদন্ত হয়। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দিয়াজকে শ্বাস রোধ করে হত্যার আলামত পাওয়া গেছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/আলেয়া