০৯:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ চায় বিআরডিবি!

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এক হাজার ৫শ’কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)। বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করার জন্য এ টাকা চাওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিআরডিবি সূত্রে জানা গেছে , প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রকল্পে ৭ হাজার ৫৩৪ জন কর্মচারী রয়েছে। ২০০৯ ও ২০১০ সালের বেতন স্কেল বাস্তবায়ন হওয়ায় প্রত্যেক কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণ করা হয়। ফলে ব্যয় পরিচালনা করতে গিয়ে বেতন ভাতা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

বর্তমানে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ খরচ হয় ১৬১ কোটি টাকা। তবে আয়ের পরিমাণ মাত্র ৭৯ কোটি টাকা। ঘাটতি থেকে যায় ৮২ কোটি টাকা। তাই কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে এই ঋণ দরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকে দেয়া চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আইন ২০১৮ এর ১১ ধারা অনুযায়ী বিআরডিবির ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে,ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টদের মতে বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দিয়ে থাকে। কিন্তু বিআরডিবি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়।

বিআরডিবির দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেসব প্রকল্প চলছে সেগুলোতে ঋণ তহবিল দরকার তিন হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। কিন্তু ঋণ তহবিল রয়েছে মাত্র ৯৬৮ কোটি টাকা। তাই অতিরিক্ত আরো ২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকার দরকার।

গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্ষুদ্র, কৃষি ও সমবায় ঋণ বিতরণের উদ্দেশ্যে গঠিত হয় বিআরডিবি।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ঋণ চায় বিআরডিবি!

প্রকাশিত : ০৯:১৪:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ নভেম্বর ২০১৯

বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছ থেকে এক হাজার ৫শ’কোটি টাকা ঋণ চেয়েছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড (বিআরডিবি)। বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করার জন্য এ টাকা চাওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

বিআরডিবি সূত্রে জানা গেছে , প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন প্রকল্পে ৭ হাজার ৫৩৪ জন কর্মচারী রয়েছে। ২০০৯ ও ২০১০ সালের বেতন স্কেল বাস্তবায়ন হওয়ায় প্রত্যেক কর্মচারীর বেতন দ্বিগুণ করা হয়। ফলে ব্যয় পরিচালনা করতে গিয়ে বেতন ভাতা ঘাটতি থেকে যাচ্ছে।

বর্তমানে কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ খরচ হয় ১৬১ কোটি টাকা। তবে আয়ের পরিমাণ মাত্র ৭৯ কোটি টাকা। ঘাটতি থেকে যায় ৮২ কোটি টাকা। তাই কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করতে এই ঋণ দরকার।

বাংলাদেশ ব্যাংকে দেয়া চিঠিতে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করেছে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ড আইন ২০১৮ এর ১১ ধারা অনুযায়ী বিআরডিবির ঋণ নেয়ার সুযোগ রয়েছে।

তবে,ব্যাংকখাত সংশ্লিষ্টদের মতে বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ঋণ দিয়ে থাকে। কিন্তু বিআরডিবি আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয়।

বিআরডিবির দেয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে যেসব প্রকল্প চলছে সেগুলোতে ঋণ তহবিল দরকার তিন হাজার ৫৪৭ কোটি টাকা। কিন্তু ঋণ তহবিল রয়েছে মাত্র ৯৬৮ কোটি টাকা। তাই অতিরিক্ত আরো ২ হাজার ৫৭৯ কোটি টাকার দরকার।

গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীর ক্ষুদ্র, কৃষি ও সমবায় ঋণ বিতরণের উদ্দেশ্যে গঠিত হয় বিআরডিবি।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান