ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ খুলনাঞ্চলে আঘাত হানার আশঙ্কা থাকায় খুলনা সিটি কর্পোরেশনের (কেসিসি) পক্ষ থেকে সম্ভব সব ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।
শুক্রবার (৮ নভেম্বর) বিকেলে নগর ভবনের জিআইজেড মিলনায়তনে দুর্যোগকালীন অথবা দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক।
সভায় কেসিসির জরুরি সেবা বিভাগসমূহে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল, দুর্যোগ বিষয়ে নগরবাসীকে সচেতন করার জন্য মাইকিং, স্কুল-কলেজের ভবনসমূহ আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে প্রস্তুত রাখা, মেডিকেল টিম গঠন, অ্যাম্বুলেন্স-ফায়ার সার্ভিসসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত সব বিভাগকে প্রস্তুত রাখা, জরুরি ত্রাণ সামগ্রী ও শুকনো খাবার প্রস্তুত রাখার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
মেয়র দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেন।
উল্লেখ্য, নগর ভবনের ২য় তলায় কন্ট্রোল রুম খোলাসহ (ফোন নম্বর ০৪১-২৮৩২৯৭৭) দুর্যোগকালীন ও দুর্যোগ পরবর্তী সার্বিক সহযোগিতা প্রদানের জন্য নগরীর ৩১টি ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় প্রস্তুত রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সভায় দুর্যোগকালীন যে কোনো প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করার জন্য নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সভায় কেসিসির দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা স্থায়ী কমিটির সভাপতি কাউন্সিলর শেখ মোসারাফ হোসেন, সদস্য মো. গোলাম মওলা শানু, শেখ এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন, কাজী তালাত হোসেন কাউট, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর মাহমুদা বেগম, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) পলাশ কান্তি বালা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা প্রকৌশলী মো. আব্দুল আজিজ, বাজেট কাম অ্যাকাউন্টস অফিসার এম এম হাফিজুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) লিয়াকত আলী খান, নির্বাহী প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, জাহিদ হোসেন শেখ, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রেজাউল করিম, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, সহকারী প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ হোসেন, শেখ মো. মাসুদ করিম, রাজস্ব কর্মকর্তা মো. অহিদুজ্জামান খান, ভূমি কর্মকর্তা নুরুজ্জামান তালুকদার প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান























