বাজারে লবণের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা ও অতিরিক্ত মূল্যে লবণ বিক্রির অপরাধে চারজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এর মধ্যে দুই ব্যক্তিকে ১০ দিনের কারাদণ্ড ও দুইজনকে অর্থদণ্ড দেয়া হয়। মঙ্গলবার দিনগত রাত ১টার দিকে হবিগঞ্জের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছিন আরাফাত রানা এই দণ্ডাদেশ প্রদান করেন ।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- শহরের রাজনগর এলাকার ব্যবসায়ী মো. আব্দুল কাদির নানু, বাতিরপুর এলাকার কানাই দাসের ছেলে সুরঞ্জিত দাস, চৌধুরী বাজার এলাকার রাজকুমার রায়ের ছেলে মিঠুন রায় ও নোয়াহাটি এলাকার রবিন্দ্র পালের ছেলে রঞ্জিত পাল।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াছিন আরাফাত রানা বলেন-আটককৃতরা বাজারে লবণের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করছিল। এ সময় অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করা হয়। পরে যাচাইবাছাই করে চারজনকে সাজা দেয়া হয়েছে। বাকি দুইজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় মুছলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে আব্দুল কাদির নানু ও সুরঞ্জিত দাসকে ১০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মিঠুন রায় ও রঞ্জিত পালকে ২ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়। তারা দুইজন ৫০ টাকা কেজি দরে লবণ বিক্রির চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ব্যবসায়ীদের মজুদ করে রাখা প্রায় ২০ বস্তা লবণ জব্দ করে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
এর আগে সোমবার রাত ৮টার পর হঠাৎ করে হবিগঞ্জে লবণের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে গুজব ছড়ানো হয়। এতে ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। ব্যবসায়ীরা লবণ মজুদ করতে শুরু করেন। অন্যদিকে ক্রেতাদের মধ্যেও লবণ কেনাকে কেন্দ্র করে হুলস্থূল সৃষ্টি হয়।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

























