০২:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

লাগামহীন পেঁয়াজের দাম

সরকারের অনুরোধে সাড়া দেয়া বড় শিল্পগ্রুপগুলোর আমদানিকরা পেঁয়াজ সমুদ্রপথে দেশে আসতে শুরু করেছে। তবে এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর বাজারগুলোতে বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৩০-২৪০ টাকা। আর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

গত ৩ দিন ধরে এ দামেই বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতে পাইকারি বাজারে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৫০-২২০ টাকা।

আর খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ২০০-২৪০ টাকা। দাম না কমার পেছনের কারণ হিসেবে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকার কারণেই বাজারে পেঁয়াজের দামের এই ঊর্ধ্বগতি।

যে পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় সামান্য। সরকার সংশ্লিষ্টদের অনেকেই এই তথ্যকে সত্য বলে মনে করছেন।

তবে বাজার বিশ্লেষকদের একটি পক্ষ বলছেন, আড়তদারদের কারসাজিতেই পেঁয়াজের দাম এতটা বেড়েছে।

পেঁয়াজের আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন পেঁয়াজের যে চাহিদা- তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে বর্তমানে সেই পরিমাণ পেঁয়াজ আসছে না।

চাহিদার চেয়ে সরবরাহ অনেক কম। আবার আমদানিকারকরাও তেমনভাবে পেঁয়াজ আমদানি করছে না। টিসিবি বা সরকার যদি সরাসরি পেঁয়াজ আমদানি করতো তাহলে হয়তো সংকট কিছুটা দূর হতো। তবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

লাগামহীন পেঁয়াজের দাম

প্রকাশিত : ১০:০৮:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ নভেম্বর ২০১৯

সরকারের অনুরোধে সাড়া দেয়া বড় শিল্পগ্রুপগুলোর আমদানিকরা পেঁয়াজ সমুদ্রপথে দেশে আসতে শুরু করেছে। তবে এখনও নিয়ন্ত্রণে আসেনি পেঁয়াজের দাম। রাজধানীর বাজারগুলোতে বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ২৩০-২৪০ টাকা। আর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে।

গত ৩ দিন ধরে এ দামেই বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীতে পাইকারি বাজারে দেশি ও আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছে ১৫০-২২০ টাকা।

আর খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ২০০-২৪০ টাকা। দাম না কমার পেছনের কারণ হিসেবে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ কম থাকার কারণেই বাজারে পেঁয়াজের দামের এই ঊর্ধ্বগতি।

যে পরিমাণে পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে তা চাহিদার তুলনায় সামান্য। সরকার সংশ্লিষ্টদের অনেকেই এই তথ্যকে সত্য বলে মনে করছেন।

তবে বাজার বিশ্লেষকদের একটি পক্ষ বলছেন, আড়তদারদের কারসাজিতেই পেঁয়াজের দাম এতটা বেড়েছে।

পেঁয়াজের আমদানিকারক শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন পেঁয়াজের যে চাহিদা- তুরস্ক, মিশর, মিয়ানমার ও পাকিস্তান থেকে বর্তমানে সেই পরিমাণ পেঁয়াজ আসছে না।

চাহিদার চেয়ে সরবরাহ অনেক কম। আবার আমদানিকারকরাও তেমনভাবে পেঁয়াজ আমদানি করছে না। টিসিবি বা সরকার যদি সরাসরি পেঁয়াজ আমদানি করতো তাহলে হয়তো সংকট কিছুটা দূর হতো। তবে আগামী ১০ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান