পেঁয়াজের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির পর বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির পদত্যাগ চাওয়ার বিষয়টি ‘কথার কথা’ বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বুধবার সচিবালয়ে সমসাময়িক ইস্যু নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি একথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী গতকাল এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, ‘কেউ কেউ আমার পদত্যাগ দাবি করছেন। পদত্যাগ করা এক সেকেন্ডের বিষয়, তাতে যদি পেঁয়াজের দাম কমে। এই মন্ত্রিত্ব কাজ করার জন্য।’
বাণিজ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দেখুন, এটা তো কথার কথা। যদি গ্যারান্টি থাকত আমি পদত্যাগ করলে পেঁয়াজের দামটা কমে যাবে, সেটা তো কথার কথা। সেটা তো পদত্যাগ করার বিষয় নয়, মন্ত্রী হিসেবে তিনি কথা প্রসঙ্গে হয়তো বলেছেন। যেহেতু পেঁয়াজের দাম বাড়তি, কেউ কেউ তো মন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করে। সেজন্য বলেছেন, পদত্যাগ করলে যদি সমাধান হয়ে যেত তাহলে আমি এক সেকেন্ডেই পদত্যাগ করতাম।’
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘সেটা উনি (বাণিজ্যমন্ত্রী) অযৌক্তিক কিছু বলেননি, এটা কথার কথা বলতেই পারেন।’
তিনি আরো বলেন, ‘বর্তমানে বাজার নিয়ন্ত্রণে নেই, অস্বীকার করবো না; তবে সরকার দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে। বাজারের অনেক পন্যের দাম সরকারের নিয়ন্ত্রণে না থাকলেও কিছু পন্যের দাম মানুষের হাতের নাগালে রয়েছে, অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে পেঁয়াজের দাম কমছেনা, তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে, বেশীদিন থাকবেনা পেঁয়াজের এতো দাম, শিগগিরই কমে যাবে।’
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের শুদ্ধি অভিযান বন্ধ হয়ে যায়নি, এটা চলবে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত না করা পর্যন্ত, প্রশাসন থেকে শুরু করে রাজনৈতিক কর্মী কেউ বাদ যাবেনা, দুদককে এ ব্যাপারে নির্দেশনা দেয়া রয়েছে যে যাদেরকে নিয়ে অভিযোগ উঠবে তাদের ব্যাপারেই তদন্ত করার জন্য, ইতিমধ্যে কয়েকজন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এবং সংসদ সদস্যকে তলবও করেছে দুদক।
যুবলীগের মত আওয়ামী লীগেও নতুন পুরনো মিলেই কমিটি হবে, সেক্ষেত্রে সাধারন সস্পাদক পদে পরিবর্তন আসবে কি আসবে না সেটা নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের সভাপতির উপর, তিনি যাকে চাইবেন তাকেই সবাই সমর্থন করবে, আমাকে না চাইলে আমি থাকবোনা, তাতে দলের কাজের সমস্যা হবেনা।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























