জিম্মি দশা থেকে বন্দিদের কিভাবে মুক্ত করে আনা যায় সেই বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ শেষ করল ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের ১৫ সোয়াট সদস্য। বাংলাদেশ পুলিশ এই প্রথম এ ধরনের কোনো প্রশিক্ষণ গ্রহণ করল।
যুক্তরাজ্যের (ইউকে) কাউন্টার টেরোরিজম নেগোসিয়েশন টিমের তত্ত্বাবধায়নে ১২ দিনের এই হোস্টেজ ক্রাইসিস নেগোসিয়েশন কোর্স অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ইউনিটের কার্যালয়ে এই কোর্সে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করেন ডিএমপি কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম। গত ২৪ নভেম্বর থেকে কোর্সটি শুরু হয়।
লন্ডন পুলিশ টিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে কমিশনার মোহা. শফিকুল ইসলাম বলেন, হোস্টেজ নেগোসিয়েশন দুরূহ কাজের মধ্যে অন্যতম। আমাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য আন্তর্জাতিকভাবে ইউকে, ইউএসএসহ বিভিন্ন দেশের পুলিশ সহযোগিতা করছে।
এতে আমাদের সক্ষমতা বাড়ছে। প্রতিটি বিষয় চর্চার দরকার আছে। ট্রেনিং করে বসে থাকলে চলবে না, নিজেদের মধ্যে এ বিষয়ে অনুশীলন করে সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, এই প্রথম বাংলাদেশ পুলিশে হোস্টেজ নেগোসিয়েশন কোর্স সম্পন্ন করা হয়েছে।
এই ট্রেনিংয়ের ফলে কোনো রকম হোস্টেজ ক্রাইসিস হলে সফলভাবে মোকাবিলা করতে পারবো বলে আমাদের বিশ্বাস। এটা আমাদের কাজে নতুন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার হবে। আমাদেরকে সহযোগিতা করার জন্য ইউকে কাউন্টার টেরোরিজম নেগোসিয়েশন টিমকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান


























