০৮:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের ২৫ বছর পূর্ণ, সংগীত উৎসব

  • বাবুল হৃদয়
  • প্রকাশিত : ০৬:৩৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯
  • 210

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ তার পথচলার ২৫ বছর পূর্ণ করলো। ১৯৯৪ সালে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। একদম নতুন এই বিভাগটি পরবর্তী ৪ বছর প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সীমিত রাখলেও ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীর উৎসাহ এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে সাংস্কৃতিক জোয়ারকে বেগবান করতে ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষে ‘নাট্যকলা ও সংগীত’ বিভাগে স্নাতক পর্যায় থেকে পূর্নাঙ্গ পরিসরে শিক্ষাদান শুরু হয়।

১৯৯৮ থেকে ২০০৯ এই ১২ বছর হাতে হাত ধরে শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশের সংগীত ও নাট্যজগতে শুদ্ধ সংস্কৃতির চেতনার আলো জাগাতে সমর্থ হয়েছিলো এই বিভাগ। চলমান শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সাযুজ্য রেখে শিক্ষার্থীদের আরও নিবিড় অনুশীলন, গবেষণা ও পরিবেশন কলা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

সংগীত বিভাগ তার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের অন্তরে প্রোথিত করার প্রয়াসে নিয়োজিত। হাজার বছরের বাংলা গানের ধারার সমস্ত পর্যায়কে গবেষণা ও পরিবেশনার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় যুক্ত করে মানবিকবোধ সম্পন্ন শিক্ষিত একটি প্রজন্ম তৈরির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ।

২০০৯ সালে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে যাত্রার পর থেকে রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, রাগ সংগীত, লোক সংগীত ও যন্ত্র সংগীত বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পি এচডি পর্যায়ে শিক্ষাদান করছে বিভাগটি। স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠার বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালে বিভাগের সবচেয়ে বড় ও বর্ণীল বার্ষিক আয়োজন সংগীত উৎসবের শুরু। এরপর থেকে প্রতি বছরই উৎসব বিষয় বৈচিত্র্য ও কলেবরে বৃহৎ হচ্ছে।

২০১৯ সালে ২৫ এ পা দিল সংগীত বিভাগ। তাই এবার উৎসবের ক্যানভাসে আরও রঙ যুক্ত করছে বিভাগের ২৫ বছর পূর্তি। সংগীত উৎসব ২০১৯ এর প্রতিপাদ্য ‘বাংলা গান’। শাক্তপদাবলী থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলা গানের যে সকল ধারা দৃশ্যমান এবং সেই ধারার যে যে প্রণেতাদের কাছে বাংলা গান কৃতজ্ঞ সেই ধারাকে মাথায় রেখে সাজানো হয়েছে এবারের উৎসব। সংগীত বিভাগের প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীর সমবেত কন্ঠে সম্মেলক গান দিয়ে দু’দিন ব্যাপী উৎসব শুরু হচ্ছে।

বিভাগের শিক্ষকদের পাশাপাশি উৎসবে দেশ বরেণ্য প্রখ্যাত শিল্পীদের পাশাপাশি যোগ দিচ্ছেন ভারতের প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী শ্রীরাধা বন্দোপাধ্যায়। প্রতিবছরের মত এবারও গুণিজন সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এবারের উৎসবে সম্মাননা প্রদান করা হবে প্রখ্যাত নজরুল সংগীত শিল্পী প্রয়াত নীলুফার ইয়াসমিনকে। তিনি তার জীবনাবসানের আগ পর্যন্ত বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও থাকছে কৃতি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান।

১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর দুইদিন ব্যাপী উৎসবের শুরু হচ্ছে ১৭ তারিখ সকাল ১০ টায় উদ্বোধনী শোভাযাত্রা দিয়ে। শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে সংগীত বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বর্তমান শিক্ষার্থী ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ, অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শুরু করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে টিএসসি উৎসব প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রা শেষে থাকছে উৎসব উদ্বোধন এবং সুধী সমাজের উৎসব বাণী।

এই পর্ব শেষে বিশাল কেক কেটে ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা। প্রীতিভোজ শেষে মূল মঞ্চে উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বের শুরু সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিটে। এই পর্বে প্রধান অতিথি হয়ে আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জনাব শ ম রেজাউল করিম এম পি।

১ম দিনের উৎসবে বিভাগীয় শিল্পী বৃন্দ ছাড়াও মিতা হক, তপন মাহমুদ, তপন চৌধুরী, দিনাত জাহান মুন্নী, শারমিন সাথী ইসলাম, বিজন মিস্ত্রী প্রমুখ শিল্পী উপস্থিত থাকছেন তাদের পরিবেশনা নিয়ে। উৎসবে ১ম দিন উপস্থিত থাকবেন ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী শ্রীরাধা বন্দোপাধ্যায়। সংগীত উৎসবের ২য় দিন ১৮ ডিসেম্বর উৎসব আয়োজন শুরু হবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সংগীতঃ স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও বাস্তবতা শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক ধারায় সংগীত শিক্ষার অবস্থান, তার সাফল্য, বর্তমান সংকট ও এই সংকট উত্তোরণের জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের একত্র করে আলোচনা করবেন আলোচকবৃন্দ।

উন্মুক্ত আলোচনা শেষে মূল মঞ্চে উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্ব। দ্বিতীয় দিন উৎসব আয়োজনের শুরুতেই থাকছে প্রথম দিনের ধারাবাহিকতায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীর কন্ঠে সম্মেলক গান। এরপর বিভাগীয় শিল্পী ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ফেরদৌস আরা, খায়রুল আনাম শাকিল, সৈয়দ আবদুল হাদী, রফিকুল আলম, হাসিনা মুমতাজ ছাড়াও প্রমুখ শিল্পীবৃন্দ। উৎসবের শেষ পরিবেশনায় থাকছে দুইটি ব্যান্ডদলের পরিবেশনা।
এবারের উৎসব বিষয় বৈচিত্র্য অনন্য। বাংলা গানের যে প্রামাণিক ধারার প্রমাণসমুহ আমরা খুঁজে পাই তার সমস্তকে এক করে ধারাবাহিকভাবে একই মঞ্চে পরিবেশন এবারই প্রথম। কলেবরে বৃহৎ এই উৎসবে প্রাচীন ধারা থেকে ব্যান্ডের শুধু তাই নয় প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে এই প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ তার প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ করলো। যা প্রাতিষ্ঠানিক ধারার সংগীত শিক্ষায় সংগীত বিভগা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পথ পরিদর্শকের স্থানে আসীন করলো।
শিক্ষা আর সংস্কৃতিকে এক করে মানবিক জাতি তৈরির লক্ষ্য সংগীত বিভাগের। সংগীত বিভাগের সাথে জড়িত প্রতিটি প্রাণের এই উৎসব সমস্ত সংগীত রসভোক্তার প্রাণ স্পর্শ করুক এবং বিভিন্ন ধারার সম্মিলনে বাংলা গানের যাত্রা পূর্ণাঙ্গ পরিসরে অমৃতলোকে নিয়ে যাক দর্শক ও শ্রোতাদের, উত্তরোত্তর সম্মৃদ্ধ হোক বাংলা গান এটাই সংগীত বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাওয়া ও সংগীত উৎসব ২০১৯ এর লক্ষ্য। অনুষ্ঠানটির  কনটেন্ট পার্টনার জিরো পয়েন্ট মাল্টিমিডিয়া ও অনুষ্ঠানটি সরাসরিস সম্প্রচার  করবে টাইম মিউজিক ডটটিভি ও WWW. Facebook /সংগীত উৎসব ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের ২৫ বছর পূর্ণ, সংগীত উৎসব

প্রকাশিত : ০৬:৩৪:৪৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ তার পথচলার ২৫ বছর পূর্ণ করলো। ১৯৯৪ সালে নাট্যকলা ও সংগীত বিভাগ নামে একটি বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। একদম নতুন এই বিভাগটি পরবর্তী ৪ বছর প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমকে স্নাতকোত্তর পর্যায়ে সীমিত রাখলেও ক্রমবর্ধমান শিক্ষার্থীর উৎসাহ এবং বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপিঠে সাংস্কৃতিক জোয়ারকে বেগবান করতে ১৯৯৭-৯৮ শিক্ষাবর্ষে ‘নাট্যকলা ও সংগীত’ বিভাগে স্নাতক পর্যায় থেকে পূর্নাঙ্গ পরিসরে শিক্ষাদান শুরু হয়।

১৯৯৮ থেকে ২০০৯ এই ১২ বছর হাতে হাত ধরে শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশের সংগীত ও নাট্যজগতে শুদ্ধ সংস্কৃতির চেতনার আলো জাগাতে সমর্থ হয়েছিলো এই বিভাগ। চলমান শিক্ষা ব্যবস্থার সাথে সাযুজ্য রেখে শিক্ষার্থীদের আরও নিবিড় অনুশীলন, গবেষণা ও পরিবেশন কলা বিকাশের লক্ষ্যে সংগীত বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

সংগীত বিভাগ তার প্রতিষ্ঠার পর থেকেই বাংলা সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের অন্তরে প্রোথিত করার প্রয়াসে নিয়োজিত। হাজার বছরের বাংলা গানের ধারার সমস্ত পর্যায়কে গবেষণা ও পরিবেশনার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় যুক্ত করে মানবিকবোধ সম্পন্ন শিক্ষিত একটি প্রজন্ম তৈরির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগ।

২০০৯ সালে স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে যাত্রার পর থেকে রবীন্দ্র সংগীত, নজরুল সংগীত, রাগ সংগীত, লোক সংগীত ও যন্ত্র সংগীত বিষয়ে স্নাতক, স্নাতকোত্তর, এমফিল ও পি এচডি পর্যায়ে শিক্ষাদান করছে বিভাগটি। স্বতন্ত্র বিভাগ হিসেবে প্রতিষ্ঠার বছর অর্থাৎ ২০০৯ সালে বিভাগের সবচেয়ে বড় ও বর্ণীল বার্ষিক আয়োজন সংগীত উৎসবের শুরু। এরপর থেকে প্রতি বছরই উৎসব বিষয় বৈচিত্র্য ও কলেবরে বৃহৎ হচ্ছে।

২০১৯ সালে ২৫ এ পা দিল সংগীত বিভাগ। তাই এবার উৎসবের ক্যানভাসে আরও রঙ যুক্ত করছে বিভাগের ২৫ বছর পূর্তি। সংগীত উৎসব ২০১৯ এর প্রতিপাদ্য ‘বাংলা গান’। শাক্তপদাবলী থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত বাংলা গানের যে সকল ধারা দৃশ্যমান এবং সেই ধারার যে যে প্রণেতাদের কাছে বাংলা গান কৃতজ্ঞ সেই ধারাকে মাথায় রেখে সাজানো হয়েছে এবারের উৎসব। সংগীত বিভাগের প্রায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীর সমবেত কন্ঠে সম্মেলক গান দিয়ে দু’দিন ব্যাপী উৎসব শুরু হচ্ছে।

বিভাগের শিক্ষকদের পাশাপাশি উৎসবে দেশ বরেণ্য প্রখ্যাত শিল্পীদের পাশাপাশি যোগ দিচ্ছেন ভারতের প্রখ্যাত কন্ঠশিল্পী শ্রীরাধা বন্দোপাধ্যায়। প্রতিবছরের মত এবারও গুণিজন সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এবারের উৎসবে সম্মাননা প্রদান করা হবে প্রখ্যাত নজরুল সংগীত শিল্পী প্রয়াত নীলুফার ইয়াসমিনকে। তিনি তার জীবনাবসানের আগ পর্যন্ত বিভাগে শিক্ষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও থাকছে কৃতি শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান।

১৭ ও ১৮ ডিসেম্বর দুইদিন ব্যাপী উৎসবের শুরু হচ্ছে ১৭ তারিখ সকাল ১০ টায় উদ্বোধনী শোভাযাত্রা দিয়ে। শোভাযাত্রায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সাথে সংগীত বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, বর্তমান শিক্ষার্থী ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা অংশ নিচ্ছেন। শোভাযাত্রাটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদ, অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে শুরু করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে টিএসসি উৎসব প্রাঙ্গণে গিয়ে শেষ হবে। শোভাযাত্রা শেষে থাকছে উৎসব উদ্বোধন এবং সুধী সমাজের উৎসব বাণী।

এই পর্ব শেষে বিশাল কেক কেটে ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সংগীত বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ, নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ এবং বিভাগের বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীরা। প্রীতিভোজ শেষে মূল মঞ্চে উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্বের শুরু সন্ধ্যা ৫.৩০ মিনিটে। এই পর্বে প্রধান অতিথি হয়ে আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী জনাব শ ম রেজাউল করিম এম পি।

১ম দিনের উৎসবে বিভাগীয় শিল্পী বৃন্দ ছাড়াও মিতা হক, তপন মাহমুদ, তপন চৌধুরী, দিনাত জাহান মুন্নী, শারমিন সাথী ইসলাম, বিজন মিস্ত্রী প্রমুখ শিল্পী উপস্থিত থাকছেন তাদের পরিবেশনা নিয়ে। উৎসবে ১ম দিন উপস্থিত থাকবেন ভারতের প্রখ্যাত শিল্পী শ্রীরাধা বন্দোপাধ্যায়। সংগীত উৎসবের ২য় দিন ১৮ ডিসেম্বর উৎসব আয়োজন শুরু হবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় সংগীতঃ স্বপ্ন, সম্ভাবনা ও বাস্তবতা শীর্ষক উন্মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে। আলোচনায় প্রাতিষ্ঠানিক ধারায় সংগীত শিক্ষার অবস্থান, তার সাফল্য, বর্তমান সংকট ও এই সংকট উত্তোরণের জন্য ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে বর্তমান ও প্রাক্তণ শিক্ষার্থীদের একত্র করে আলোচনা করবেন আলোচকবৃন্দ।

উন্মুক্ত আলোচনা শেষে মূল মঞ্চে উৎসবের সাংস্কৃতিক পর্ব। দ্বিতীয় দিন উৎসব আয়োজনের শুরুতেই থাকছে প্রথম দিনের ধারাবাহিকতায় আড়াই শতাধিক শিক্ষার্থীর কন্ঠে সম্মেলক গান। এরপর বিভাগীয় শিল্পী ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন ফেরদৌস আরা, খায়রুল আনাম শাকিল, সৈয়দ আবদুল হাদী, রফিকুল আলম, হাসিনা মুমতাজ ছাড়াও প্রমুখ শিল্পীবৃন্দ। উৎসবের শেষ পরিবেশনায় থাকছে দুইটি ব্যান্ডদলের পরিবেশনা।
এবারের উৎসব বিষয় বৈচিত্র্য অনন্য। বাংলা গানের যে প্রামাণিক ধারার প্রমাণসমুহ আমরা খুঁজে পাই তার সমস্তকে এক করে ধারাবাহিকভাবে একই মঞ্চে পরিবেশন এবারই প্রথম। কলেবরে বৃহৎ এই উৎসবে প্রাচীন ধারা থেকে ব্যান্ডের শুধু তাই নয় প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে এই প্রথম কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংগীত বিভাগ তার প্রতিষ্ঠার ২৫ বছর পূর্ণ করলো। যা প্রাতিষ্ঠানিক ধারার সংগীত শিক্ষায় সংগীত বিভগা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে পথ পরিদর্শকের স্থানে আসীন করলো।
শিক্ষা আর সংস্কৃতিকে এক করে মানবিক জাতি তৈরির লক্ষ্য সংগীত বিভাগের। সংগীত বিভাগের সাথে জড়িত প্রতিটি প্রাণের এই উৎসব সমস্ত সংগীত রসভোক্তার প্রাণ স্পর্শ করুক এবং বিভিন্ন ধারার সম্মিলনে বাংলা গানের যাত্রা পূর্ণাঙ্গ পরিসরে অমৃতলোকে নিয়ে যাক দর্শক ও শ্রোতাদের, উত্তরোত্তর সম্মৃদ্ধ হোক বাংলা গান এটাই সংগীত বিভাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চাওয়া ও সংগীত উৎসব ২০১৯ এর লক্ষ্য। অনুষ্ঠানটির  কনটেন্ট পার্টনার জিরো পয়েন্ট মাল্টিমিডিয়া ও অনুষ্ঠানটি সরাসরিস সম্প্রচার  করবে টাইম মিউজিক ডটটিভি ও WWW. Facebook /সংগীত উৎসব ।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ