১১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

‘আমি গাইব বিজয়েরই গান’

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বানের মধ্য দিয়ে গতকাল সোমবার ৪৮তম বিজয় দিবস পালন করল জাতি। দেশের মানুষ নত মস্তকে শ্রদ্ধা জানালো দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মঞ্চে শিল্পীদের গানে, কবিতার পঙিক্তমালায়, নৃত্যের ঝংকারে মিশে ছিল বিজয়ের আনন্দ, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের দাবি।

আমি গাইব-গাইব বিজয়েরই গান/ তারা আসবে চুপি চুপি/ কেউ যেন ভুল করে গেও না কো ঘুম ভাঙা গান/ সব কটা জানালা খুলে দাও না—সাবিনা ইয়াসমিনের এ গানের কথার মতো লাখ লাখ মানুষ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সমবেত হয়ে হৃদয়ের জানালা খুলে অভিবাদন জানালো দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের।

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন। গান, কবিতা, নাটক আর কথামালায় তারা স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানিদের। লাল-সুবজের পোশাক পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, শাহবাগ, টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সর্বত্রই ছিল উৎসবমুখর মানুষের পদচারণা।

ঢাবিতে বিজয় দিবস উদযাপিত

১৬ ডিসেম্বর রাত ১২টায় বিজয়ের প্রথম প্রহরে আতশবাজি আর আনন্দধ্বনিতে ছেয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)। কনসার্ট, আতশবাজি আর নানা অনুষ্ঠানে বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, ডাকসু, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও টিএসসিভিত্তিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কলা ভবন, কার্জন হল, স্মৃতি চিরন্তন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ভবন, সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন এবং হলগুলোতে বিজয়ের রঙে রাঙাতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাল, সবুজ, নীল রঙের আলোয় ছেয়ে গেছে গোটা ক্যাম্পাস।

বিজয়ের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ফানুস উড়িয়ে কর্মসূচির শুরু হয়। কর্মসূচির মধ্যে বিজয়ের দিন সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ প্রধান প্রধান ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

পরে সকাল সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত হন। পরে সেখান থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের জন্য যাত্রা করেন।

এছাড়া বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ছায়ানটের যৌথ উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত হয় বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট : মহানগর জুড়ে বিজয় উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ব আইটিআইয়ের সাম্মানিত সভাপতি নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার।

সূচনা বক্তব্য রাখেন জোট সাধারণ সম্পাদক আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফ। মুক্তিযুদ্ধের কবিতা পাঠ করেন কবি তারিক সুজাত। এছাড়া শহিদ মিনারসহ সব মঞ্চে ছিল আবৃত্তি, গান, নৃত্য, নাটকের পরিবেশনা।

বাংলা একাডেমি : বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাচিকশিল্পী রূপা চক্রবর্তীর কণ্ঠে কবি হাসান হাফিজুর রহমানের তোমার আপন পতাকা শীর্ষক কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ দেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

বিজয় : ইতিহাস ও মর্মার্থ শীর্ষক একক বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী তিমির নন্দী, সন্দীপন দাস, চম্পা বণিক এবং ফারহানা শিরিন।

শিল্পকলা একাডেমি : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আলোচনা পর্বে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা, মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল। সাংস্কৃতিক পর্বে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ‘গঙ্গা ঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ’ গানের কথায় একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ।

একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সাজেদ আকবর, বুলবুল মহলানবীশ, মামুন জাহিদ খান, ইউসুফ, সালমা চৌধুরী, শিবু রায়, আমজাদ দেওয়ান, রীনা আমিন, আলম দেওয়ান, নবীন কিশোর গৌতম ও নিশ্চুপ বৃষ্টি। আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পী সৈয়দ হাসান ইমাম এবং ঝর্ণা সরকার।

চ্যানেল আইয়ের বিজয় মেলা : বিজয়ের ৪৮ বছর পূর্তিতে ‘আমি বাংলাদেশ’ স্লোগানে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণফোন ও চ্যানেল আইয়ের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ‘বিজয় মেলা’।

মেলার উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য শিল্পী আজাদ রহমান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের তিমির নন্দী, কাদেরী কিবরিয়া, ফকির আলমগীর, শাহীন সামাদ, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য সাইদুর রহমান প্যাটেল প্রমুখ। মেলায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের হাতে চিত্রশিল্পী কামাল উদ্দিনের অঙ্কিত একটি ছবি তুলে দেওয়া হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জনদুর্ভোগ নয় স্বাভাবিক চলাচল চান প্রধানমন্ত্রী, আইজিপিকে কড়া নির্দেশ

‘আমি গাইব বিজয়েরই গান’

প্রকাশিত : ০৯:২৮:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় দেশকে সমৃদ্ধির পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বানের মধ্য দিয়ে গতকাল সোমবার ৪৮তম বিজয় দিবস পালন করল জাতি। দেশের মানুষ নত মস্তকে শ্রদ্ধা জানালো দেশের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের।

রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন মঞ্চে শিল্পীদের গানে, কবিতার পঙিক্তমালায়, নৃত্যের ঝংকারে মিশে ছিল বিজয়ের আনন্দ, সমৃদ্ধ দেশ গড়ার অঙ্গীকার এবং যুদ্ধাপরাধীদের শাস্তি ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের দাবি।

আমি গাইব-গাইব বিজয়েরই গান/ তারা আসবে চুপি চুপি/ কেউ যেন ভুল করে গেও না কো ঘুম ভাঙা গান/ সব কটা জানালা খুলে দাও না—সাবিনা ইয়াসমিনের এ গানের কথার মতো লাখ লাখ মানুষ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সমবেত হয়ে হৃদয়ের জানালা খুলে অভিবাদন জানালো দেশের শ্রেষ্ঠ সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের।

ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত নানা অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন। গান, কবিতা, নাটক আর কথামালায় তারা স্মরণ করেন মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানিদের। লাল-সুবজের পোশাক পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণ, শাহবাগ, টিএসসি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সর্বত্রই ছিল উৎসবমুখর মানুষের পদচারণা।

ঢাবিতে বিজয় দিবস উদযাপিত

১৬ ডিসেম্বর রাত ১২টায় বিজয়ের প্রথম প্রহরে আতশবাজি আর আনন্দধ্বনিতে ছেয়ে যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি)। কনসার্ট, আতশবাজি আর নানা অনুষ্ঠানে বিজয় দিবস উদযাপিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ, ডাকসু, বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন ও টিএসসিভিত্তিক সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলো এসব অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

কলা ভবন, কার্জন হল, স্মৃতি চিরন্তন, বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাব ভবন, সামাজিক বিজ্ঞান ভবনসহ সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন এবং হলগুলোতে বিজয়ের রঙে রাঙাতে আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা হয়েছে। লাল, সবুজ, নীল রঙের আলোয় ছেয়ে গেছে গোটা ক্যাম্পাস।

বিজয়ের প্রথম প্রহরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) ফানুস উড়িয়ে কর্মসূচির শুরু হয়। কর্মসূচির মধ্যে বিজয়ের দিন সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে উপাচার্য ভবনসহ প্রধান প্রধান ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

পরে সকাল সাড়ে ৬টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ছাত্রছাত্রী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে জমায়েত হন। পরে সেখান থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের জন্য যাত্রা করেন।

এছাড়া বিকাল ৪টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ছায়ানটের যৌথ উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিশেষ সংগীতানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রশিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় অনুষ্ঠিত হয় বিজয় দিবসের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট : মহানগর জুড়ে বিজয় উৎসবের বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। সকালে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার থেকে বের হয় বর্ণাঢ্য বিজয় শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন বিশ্ব আইটিআইয়ের সাম্মানিত সভাপতি নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার।

সূচনা বক্তব্য রাখেন জোট সাধারণ সম্পাদক আবৃত্তিশিল্পী হাসান আরিফ। মুক্তিযুদ্ধের কবিতা পাঠ করেন কবি তারিক সুজাত। এছাড়া শহিদ মিনারসহ সব মঞ্চে ছিল আবৃত্তি, গান, নৃত্য, নাটকের পরিবেশনা।

বাংলা একাডেমি : বাংলা একাডেমির নজরুল মঞ্চে একক বক্তৃতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাচিকশিল্পী রূপা চক্রবর্তীর কণ্ঠে কবি হাসান হাফিজুর রহমানের তোমার আপন পতাকা শীর্ষক কবিতা আবৃত্তির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। স্বাগত ভাষণ দেন একাডেমির মহাপরিচালক হাবীবুল্লাহ সিরাজী।

বিজয় : ইতিহাস ও মর্মার্থ শীর্ষক একক বক্তৃতা করেন বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ, বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ আনোয়ার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক আনিসুজ্জামান। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন সংগীতশিল্পী তিমির নন্দী, সন্দীপন দাস, চম্পা বণিক এবং ফারহানা শিরিন।

শিল্পকলা একাডেমি : বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। আলোচনা পর্বে একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন মুক্তিযোদ্ধা, মানবাধিকার কর্মী ও সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল। সাংস্কৃতিক পর্বে সমবেত নৃত্য পরিবেশন করে ‘গঙ্গা ঋদ্ধি থেকে বাংলাদেশ’ গানের কথায় একাডেমির নৃত্যশিল্পীবৃন্দ।

একক সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী সাজেদ আকবর, বুলবুল মহলানবীশ, মামুন জাহিদ খান, ইউসুফ, সালমা চৌধুরী, শিবু রায়, আমজাদ দেওয়ান, রীনা আমিন, আলম দেওয়ান, নবীন কিশোর গৌতম ও নিশ্চুপ বৃষ্টি। আবৃত্তি পরিবেশন করেন শিল্পী সৈয়দ হাসান ইমাম এবং ঝর্ণা সরকার।

চ্যানেল আইয়ের বিজয় মেলা : বিজয়ের ৪৮ বছর পূর্তিতে ‘আমি বাংলাদেশ’ স্লোগানে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় গ্রামীণফোন ও চ্যানেল আইয়ের যৌথ উদ্যোগে বর্ণাঢ্য ‘বিজয় মেলা’।

মেলার উদ্বোধনী পর্বে উপস্থিত ছিলেন বরেণ্য শিল্পী আজাদ রহমান, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের তিমির নন্দী, কাদেরী কিবরিয়া, ফকির আলমগীর, শাহীন সামাদ, স্বাধীন বাংলা ফুটবল দলের সদস্য সাইদুর রহমান প্যাটেল প্রমুখ। মেলায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হকের হাতে চিত্রশিল্পী কামাল উদ্দিনের অঙ্কিত একটি ছবি তুলে দেওয়া হয়।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান