১২:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ক্ষমা চাইলেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

রাজাকারদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম আসায় ক্ষমা চেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মঙ্গলবার সকালে শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, লিখিতভাবে অভিযোগ পেলেই নাম প্রত্যাহার করা হবে। এই তালিকা যাচাই-বাছাই করে সংশোধন করা হবে বলেও জানান তিনি। তবে এ তালিকা আগেই করা ছিল। নতুন করে কোন তালিকা প্রস্তুত করেনি সরকার। শুধু প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

এদিকে গত ১৫ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের একদিন আগে প্রথম ধাপে প্রকাশ করা হয়েছে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের নাম। এই তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধাদের নাম আশায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সেদিন মন্ত্রী বলেছিলেন, আমরা রাজাকাদের তালিকা প্রকাশ করবো, প্রস্তুত করবো বলি নাই। প্রকাশ অর্থ সরকারের হেফাজতে যে সমস্ত দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাই শুধু প্রকাশ করা হবে।

সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যে প্রমাণ সেটা পাঁচ বছর আল শামস, আল বদর, জামায়াত এরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার কারণে যুদ্ধের সময়ের অনেক দলিল বিশেষ করে তাদের অপকর্মের দলিল তারা সরানোর চেষ্টা করে ছিল এবং তারা সফলও হয়েছে। এরপর, আগামী ২৬ মার্চে প্রকাশ করা হবে দ্বিতীয় তালিকা।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

জনদুর্ভোগ নয় স্বাভাবিক চলাচল চান প্রধানমন্ত্রী, আইজিপিকে কড়া নির্দেশ

ক্ষমা চাইলেন মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১২:০৪:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৯

রাজাকারদের তালিকায় মুক্তিযোদ্ধাদের নাম আসায় ক্ষমা চেয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। মঙ্গলবার সকালে শিল্পকলা একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী জানান, লিখিতভাবে অভিযোগ পেলেই নাম প্রত্যাহার করা হবে। এই তালিকা যাচাই-বাছাই করে সংশোধন করা হবে বলেও জানান তিনি। তবে এ তালিকা আগেই করা ছিল। নতুন করে কোন তালিকা প্রস্তুত করেনি সরকার। শুধু প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রী।

এদিকে গত ১৫ ডিসেম্বর বিজয় দিবসের একদিন আগে প্রথম ধাপে প্রকাশ করা হয়েছে ১০ হাজার ৭৮৯ রাজাকারের নাম। এই তালিকা প্রকাশ হওয়ার পর বেশ কিছু মুক্তিযোদ্ধাদের নাম আশায় সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

সেদিন মন্ত্রী বলেছিলেন, আমরা রাজাকাদের তালিকা প্রকাশ করবো, প্রস্তুত করবো বলি নাই। প্রকাশ অর্থ সরকারের হেফাজতে যে সমস্ত দলিলের মাধ্যমে প্রমাণ পাওয়া যাবে, তাই শুধু প্রকাশ করা হবে।

সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য যে প্রমাণ সেটা পাঁচ বছর আল শামস, আল বদর, জামায়াত এরা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকার কারণে যুদ্ধের সময়ের অনেক দলিল বিশেষ করে তাদের অপকর্মের দলিল তারা সরানোর চেষ্টা করে ছিল এবং তারা সফলও হয়েছে। এরপর, আগামী ২৬ মার্চে প্রকাশ করা হবে দ্বিতীয় তালিকা।

বিজনেস বাংলাদেশ/এম মিজান