১০:৩০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত মিমি

৫১ বছরে পা রাখলেন নন্দিত অভিনেত্রী আফসানা মিমি। বিজনেস বাংলাদেশ পরিবার থেকে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। হুমায়ূন আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের বকুল চরিত্র দিয়ে আলোচনায় আসেন মিমি। সেই নাটকে তার মুখে ‘কেন কেউ বুঝতে চায় না আমি বড় হয়েছি’ সংলাপটি ঘুরত কিশোরীদের মুখে মুখে। সেই প্রিয় মুখের জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।

আফসানা মিমিকে অনেক দিন অভিনয়ে দেখা না গেলেও মাঝেমধ্যে উপস্থাপনায় দেখা মেলে। সম্প্রতি তিন কন্যার আড্ডা নামের একটি অনুষ্ঠানে কলকাতার নায়িকা ঋতুপর্ণা ও ঢাকাই সিনেমার নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিমকে নিয়ে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় হাজির হয়েছিলেন তিনি।

তাছাড়া গিয়াসউদ্দিন সেলিমের পাপপুণ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন আফসানা মিমি। ১০ বছর পর এই সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় ফেরা তার। এখন মুুক্তির অপেক্ষায় সিনেমাটি।

জন্মদিন প্রসঙ্গে আফসানা মিমি বলেন, ‘জন্মদিন আমার কাছে খুব আনন্দের একটি বিষয়। কারণ আমার কাছে মনে হয় মানুষের জন্মটাই খুব আনন্দময় একটি ঘটনা। একজন মানুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে পৃথিবীর সব রূপ, রস অনুভব করছি, উপভোগ করছি এটা সত্যিই অনেক আনন্দের। চেষ্টা করি সুখে ও ভালো থাকতে। মুগ্ধতা নিয়ে কেটে যাক মানবজনম।’

নব্বই দশকে মিমির অভিনয়ের অভিষেক হয়েছিল বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মঞ্চে। অভিনেতা ও নির্দেশক সৈয়দ মাহিদুল ইসলামের ব্যতিক্রম নাট্যগোষ্ঠীর হয়ে অংশ নেন রাজদর্শন নাটকে। মনোজ মিত্রের লেখা সেই নাটকে তিনি রানীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তখন তার বয়স ১৮। তারপর থেকে নিজেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবে মঞ্চে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন।

গাজী রাকায়েতের মাধ্যমে পরবর্তীকালে তিনি নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত হন। নাগরিকের হয়ে প্রথম মঞ্চে উঠেছিলেন শেকসপিয়রের ‘হ্যামলেট’ অবলম্বনে আলী যাকের রচনা ও নির্দেশনায় ‘দর্পণ’ নাটকের কোরাস দলের একজন হয়ে। পরে অভিনয় করেন ‘নূরুলদীনের সারাজীবন’, ‘দর্পণে শরৎশশী’, ‘ঈর্ষা’ প্রভৃতি নাটকে।

সেই সূত্র ধরেই টিভিতে প্রবেশ। ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘বন্ধন’, ‘ডলস হাউজ’, ‘কাছের মানুষ’ ইত্যাদি নাটকে মিমির অভিনয় উজ্জ্বল হয়ে আছে। ১৯৯২ সালে আজিজুর রহমানের ‘দিল’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর অনেক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন মিমি। সেগুলোর মধ্যে ‘নদীর নাম মধুমতি (১৯৯৪)’, ‘চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯)’, ‘প্রিয়তমেষু (২০০৯)’ উল্লেখযোগ্য।

আফসানা মিমি নির্মাতা হিসেবেও আলাদাভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। তার পরিচালনায় ‘পৌষ ফাগুনের পালা’ ধারাবাহিক নাটকটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায় এটিএন বাংলায় প্রচার হলে। তিনি ‘মনের কথা’ নামের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেও জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সরকারি দলের সংসদীয় সভা আজ

জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত মিমি

প্রকাশিত : ০৪:৩৮:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ডিসেম্বর ২০১৯

৫১ বছরে পা রাখলেন নন্দিত অভিনেত্রী আফসানা মিমি। বিজনেস বাংলাদেশ পরিবার থেকে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। হুমায়ূন আহমেদের ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকের বকুল চরিত্র দিয়ে আলোচনায় আসেন মিমি। সেই নাটকে তার মুখে ‘কেন কেউ বুঝতে চায় না আমি বড় হয়েছি’ সংলাপটি ঘুরত কিশোরীদের মুখে মুখে। সেই প্রিয় মুখের জন্মদিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষীরা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দনে সিক্ত করছেন জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।

আফসানা মিমিকে অনেক দিন অভিনয়ে দেখা না গেলেও মাঝেমধ্যে উপস্থাপনায় দেখা মেলে। সম্প্রতি তিন কন্যার আড্ডা নামের একটি অনুষ্ঠানে কলকাতার নায়িকা ঋতুপর্ণা ও ঢাকাই সিনেমার নায়িকা বিদ্যা সিনহা মিমকে নিয়ে চ্যানেল আইয়ের পর্দায় হাজির হয়েছিলেন তিনি।

তাছাড়া গিয়াসউদ্দিন সেলিমের পাপপুণ্য সিনেমায় অভিনয় করেছেন আফসানা মিমি। ১০ বছর পর এই সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় ফেরা তার। এখন মুুক্তির অপেক্ষায় সিনেমাটি।

জন্মদিন প্রসঙ্গে আফসানা মিমি বলেন, ‘জন্মদিন আমার কাছে খুব আনন্দের একটি বিষয়। কারণ আমার কাছে মনে হয় মানুষের জন্মটাই খুব আনন্দময় একটি ঘটনা। একজন মানুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে পৃথিবীর সব রূপ, রস অনুভব করছি, উপভোগ করছি এটা সত্যিই অনেক আনন্দের। চেষ্টা করি সুখে ও ভালো থাকতে। মুগ্ধতা নিয়ে কেটে যাক মানবজনম।’

নব্বই দশকে মিমির অভিনয়ের অভিষেক হয়েছিল বেইলি রোডের মহিলা সমিতি মঞ্চে। অভিনেতা ও নির্দেশক সৈয়দ মাহিদুল ইসলামের ব্যতিক্রম নাট্যগোষ্ঠীর হয়ে অংশ নেন রাজদর্শন নাটকে। মনোজ মিত্রের লেখা সেই নাটকে তিনি রানীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তখন তার বয়স ১৮। তারপর থেকে নিজেকে একজন অভিনেত্রী হিসেবে মঞ্চে তিনি প্রতিষ্ঠিত করেন।

গাজী রাকায়েতের মাধ্যমে পরবর্তীকালে তিনি নাগরিক নাট্য সম্প্রদায়ের সঙ্গে যুক্ত হন। নাগরিকের হয়ে প্রথম মঞ্চে উঠেছিলেন শেকসপিয়রের ‘হ্যামলেট’ অবলম্বনে আলী যাকের রচনা ও নির্দেশনায় ‘দর্পণ’ নাটকের কোরাস দলের একজন হয়ে। পরে অভিনয় করেন ‘নূরুলদীনের সারাজীবন’, ‘দর্পণে শরৎশশী’, ‘ঈর্ষা’ প্রভৃতি নাটকে।

সেই সূত্র ধরেই টিভিতে প্রবেশ। ‘নক্ষত্রের রাত’, ‘বন্ধন’, ‘ডলস হাউজ’, ‘কাছের মানুষ’ ইত্যাদি নাটকে মিমির অভিনয় উজ্জ্বল হয়ে আছে। ১৯৯২ সালে আজিজুর রহমানের ‘দিল’ চলচ্চিত্রের মধ্য দিয়ে বড় পর্দায় অভিষেক হয় তার। এরপর অনেক আলোচিত সিনেমায় অভিনয় করে প্রশংসা পেয়েছেন মিমি। সেগুলোর মধ্যে ‘নদীর নাম মধুমতি (১৯৯৪)’, ‘চিত্রা নদীর পাড়ে (১৯৯৯)’, ‘প্রিয়তমেষু (২০০৯)’ উল্লেখযোগ্য।

আফসানা মিমি নির্মাতা হিসেবেও আলাদাভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছেন। তার পরিচালনায় ‘পৌষ ফাগুনের পালা’ ধারাবাহিক নাটকটি দারুণ জনপ্রিয়তা পায় এটিএন বাংলায় প্রচার হলে। তিনি ‘মনের কথা’ নামের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেও জনপ্রিয়তা পেয়েছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ