০২:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে গেফতারকৃত আসামি মজনু মিয়া। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ৭ দিনের  রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আবু সিদ্দিক আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এরপর আসামি মজনু স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন এ তদন্ত কর্মকর্তা।

এ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক তোফাজ্জল হোসেন তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র  এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৯ জানুয়ারি ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার মজনুর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি ক্যান্টনমেন্ট থানার কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪০-৫০ গজ সামনে আর্মি গলফ ক্লাব মাঠ সংলগ্ন স্থানে পৌঁছায় ভিকটিম। এরপর আসামি পেছনের দিক থেকে ভিকটিমের গলা ধরে ফুটপাতে ফেলে দেয় এবং গলা চেপে ধরে। ভিকটিম চিৎকার করতে গেলে আসামি তাকে কিল-ঘুষি মেরে ভয়ভীতি দেখালে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন মজনু ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওমেন বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

ঢাবি ছাত্রী ধর্ষণে মজনুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি

প্রকাশিত : ০৬:২১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২০

ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে গেফতারকৃত আসামি মজনু মিয়া। বৃহস্পতিবার (১৬ জানুয়ারি) ৭ দিনের  রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশ পরিদর্শক আবু সিদ্দিক আসামিকে আদালতে হাজির করেন। এরপর আসামি মজনু স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ড করার আবেদন করেন এ তদন্ত কর্মকর্তা।

এ আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারক তোফাজ্জল হোসেন তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। আদালতের সংশ্লিষ্ট সূত্র  এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত ৯ জানুয়ারি ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার মজনুর সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত ৫ জানুয়ারি ক্যান্টনমেন্ট থানার কুর্মিটোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে ৪০-৫০ গজ সামনে আর্মি গলফ ক্লাব মাঠ সংলগ্ন স্থানে পৌঁছায় ভিকটিম। এরপর আসামি পেছনের দিক থেকে ভিকটিমের গলা ধরে ফুটপাতে ফেলে দেয় এবং গলা চেপে ধরে। ভিকটিম চিৎকার করতে গেলে আসামি তাকে কিল-ঘুষি মেরে ভয়ভীতি দেখালে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। তখন মজনু ভিকটিমকে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় ৬ জানুয়ারি সকালে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করে ওই ছাত্রীর বাবা ক্যান্টনমেন্ট থানায় মামলা দায়ের করেন।

ওমেন বাংলাদেশ/বিএইচ