০৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

১৭৫ কি.মি. বলের গতি, বিশ্বকেই চমকে দিলেন ‘নতুন’ শ্রীলঙ্কান!

১৭৫ কিলোমিটার গতিতে বল করলেন শ্রীলঙ্কার ‘নতুন’ মালিঙ্গা। তার অ্যাকশনটা ঠিক লাসিথ মালিঙ্গার মতো। গতিতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন ধরাতেও জুড়ি নেই। এবার তো পুরো ক্রিকেট বিশ্বকেই তাক লাগিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কার ১৭ বছর বয়সী পেসার মাথিসা পাথিরানা। দক্ষিণ আফ্রিকায় চলতি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তার একটি বলের গতি উঠেছে ঘন্টায় ১৭৫ কিলোমিটার, মাইলের হিসেবে যা ১০৮ মাইল!

রোববার যুব বিশ্বকাপের ম্যাচটিতে অবশ্য বল হাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি পাথিরানা। ৮ ওভার বল করে ৪৯ রান দিয়েছেন, পাননি উইকেটের দেখা। তার দল শ্রীলঙ্কাও ভারতের কাছে হেরেছে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে।

তবে দিনভর আলোচনা ছিল পাথিরানার ডেলিভারি নিয়েই। স্পিড গানে দেখানো গতি যদি সত্যি হয়, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে কোনো লেভেলে এটি সবচেয়ে দ্রুতগতির ডেলিভারি ছিল।

ভারতীয় ইনিসের চতুর্থ ওভারের ঘটনা। পিচের মধ্যে বলটা জোরে হিট করেন পাথিরানা। বল পিচে পড়ে বেরিয়ে যায় লেগ সাইড দিয়ে। উইকেটরক্ষক সেটি গ্লাভসবন্দী করেন। আম্পায়ার দেন ওয়াইডের সিগন্যাল।

এ সময় টিভি স্ক্রিনের ডান দিকে ভেসে উঠে সর্বশেষ ডেলিভারির গতি। যেখানে ১৭৫ কিলোমিটার দেখাচ্ছিল, মাইলে দেখাচ্ছিল ১০৮। যদিও প্রকৃতপক্ষে ডেলিভারিটি এতটা গতিময় ছিল না, অনেকেরই মনে সেই সন্দেহ।

কেননা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ডেলিভারিটি ১৬১.৩ কিলোমিটারের। ২০০৩ সালে কেপটাউনের নিউল্যান্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিলেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানের সাবেক গতিতারকা এই রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছেন এখনও। অস্ট্রেলিয়ান শন টেইট আর ব্রেট লি ১৬০ কিলোমিটার ছুঁলেও শোয়েবকে পেছনে ফেলতে পারেননি।

১৭ বছর বয়সেই পাথিরানা এই রেকর্ড ভেঙে যোজন যোজন এগিয়ে যাবেন, সেটি বিশ্বাস করা আসলে কঠিনই। তবু ১৬১-এর আশেপাশে থাকলে কথা ছিল, ঘন্টায় প্রায় ১৪ কিলোমিটার বেশি গতিতে বল করার বিষয়টি একটু তো সন্দেহ জাগায়ই!

তাছাড়া এমন ঘটনা এবার প্রথম নয়। গত বছরও যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাজী অনিকের একটি ডেলিভারি ১৬০ কিলোমিটার দেখিয়েছিল স্পিড গানে। পরে জানা যায়, সেটি হয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

১২ ফেব্রুয়া‌রির নির্বাচন স্বাধীনতা রক্ষা করার নির্বাচন

১৭৫ কি.মি. বলের গতি, বিশ্বকেই চমকে দিলেন ‘নতুন’ শ্রীলঙ্কান!

প্রকাশিত : ০৭:৩৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জানুয়ারী ২০২০

১৭৫ কিলোমিটার গতিতে বল করলেন শ্রীলঙ্কার ‘নতুন’ মালিঙ্গা। তার অ্যাকশনটা ঠিক লাসিথ মালিঙ্গার মতো। গতিতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানদের বুকে কাঁপন ধরাতেও জুড়ি নেই। এবার তো পুরো ক্রিকেট বিশ্বকেই তাক লাগিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কার ১৭ বছর বয়সী পেসার মাথিসা পাথিরানা। দক্ষিণ আফ্রিকায় চলতি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে তার একটি বলের গতি উঠেছে ঘন্টায় ১৭৫ কিলোমিটার, মাইলের হিসেবে যা ১০৮ মাইল!

রোববার যুব বিশ্বকাপের ম্যাচটিতে অবশ্য বল হাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি পাথিরানা। ৮ ওভার বল করে ৪৯ রান দিয়েছেন, পাননি উইকেটের দেখা। তার দল শ্রীলঙ্কাও ভারতের কাছে হেরেছে ৯০ রানের বড় ব্যবধানে।

তবে দিনভর আলোচনা ছিল পাথিরানার ডেলিভারি নিয়েই। স্পিড গানে দেখানো গতি যদি সত্যি হয়, তবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে যে কোনো লেভেলে এটি সবচেয়ে দ্রুতগতির ডেলিভারি ছিল।

ভারতীয় ইনিসের চতুর্থ ওভারের ঘটনা। পিচের মধ্যে বলটা জোরে হিট করেন পাথিরানা। বল পিচে পড়ে বেরিয়ে যায় লেগ সাইড দিয়ে। উইকেটরক্ষক সেটি গ্লাভসবন্দী করেন। আম্পায়ার দেন ওয়াইডের সিগন্যাল।

এ সময় টিভি স্ক্রিনের ডান দিকে ভেসে উঠে সর্বশেষ ডেলিভারির গতি। যেখানে ১৭৫ কিলোমিটার দেখাচ্ছিল, মাইলে দেখাচ্ছিল ১০৮। যদিও প্রকৃতপক্ষে ডেলিভারিটি এতটা গতিময় ছিল না, অনেকেরই মনে সেই সন্দেহ।

কেননা আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে দ্রুততম ডেলিভারিটি ১৬১.৩ কিলোমিটারের। ২০০৩ সালে কেপটাউনের নিউল্যান্ডে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়েছিলেন শোয়েব আখতার। পাকিস্তানের সাবেক গতিতারকা এই রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছেন এখনও। অস্ট্রেলিয়ান শন টেইট আর ব্রেট লি ১৬০ কিলোমিটার ছুঁলেও শোয়েবকে পেছনে ফেলতে পারেননি।

১৭ বছর বয়সেই পাথিরানা এই রেকর্ড ভেঙে যোজন যোজন এগিয়ে যাবেন, সেটি বিশ্বাস করা আসলে কঠিনই। তবু ১৬১-এর আশেপাশে থাকলে কথা ছিল, ঘন্টায় প্রায় ১৪ কিলোমিটার বেশি গতিতে বল করার বিষয়টি একটু তো সন্দেহ জাগায়ই!

তাছাড়া এমন ঘটনা এবার প্রথম নয়। গত বছরও যুব বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাজী অনিকের একটি ডেলিভারি ১৬০ কিলোমিটার দেখিয়েছিল স্পিড গানে। পরে জানা যায়, সেটি হয়েছে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ