০৮:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

৪ মাস বেতন বাকি, আন্দোলনে সাকিবের ফার্মের শ্রমিকরা

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মাসুদ মোড়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান প্রতিষ্ঠিত ‌সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের শ্রমিকরা চার মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। বারবার সময় নিয়েও বেতন না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে আন্দোলনে নেমেছেন ফার্মের দুই শতাধিক শ্রমিক। এ সময় বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা।

তবে শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখে আন্দোলন করায় র‌্যাবের একটি টহল টিম তাদের সরিয়ে দেয়। সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের শ্রমিক মনোয়ারা বলেন, পরিবার পরিজন নিয়ে ভালোভাবে জীবনযাপনের জন্য এই কাঁকড়ার ফার্মে কাজ করি। কিন্তু গত চার মাস বেতন বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে খাবার না থাকায় ছেলে-মেয়ে নিয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।

নারী শ্রমিক রহিমা বেগম বলেন, অভাবের তাড়নায় সন্তান ও পরিবার ফেলে এসে প্রজেক্টে কাজ করেছি। ঠিকমতো বেতন না পাওয়ায় করোনা প্রাদুর্ভাবে খুবই কষ্টে আছি।

এদিকে, স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ফার্ম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিক্ষোভরত শ্রমিকদের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বেতন দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

সন্ধ্যা ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

৪ মাস বেতন বাকি, আন্দোলনে সাকিবের ফার্মের শ্রমিকরা

প্রকাশিত : ০৮:৪০:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২০

সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়নের মাসুদ মোড়ে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান প্রতিষ্ঠিত ‌সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের শ্রমিকরা চার মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না। বারবার সময় নিয়েও বেতন না দেওয়ায় বাধ্য হয়ে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে আন্দোলনে নেমেছেন ফার্মের দুই শতাধিক শ্রমিক। এ সময় বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ করতে থাকেন তারা।

তবে শারীরিক দূরত্ব বজায় না রেখে আন্দোলন করায় র‌্যাবের একটি টহল টিম তাদের সরিয়ে দেয়। সাকিব আল হাসান অ্যাগ্রো ফার্ম লিমিটেডের শ্রমিক মনোয়ারা বলেন, পরিবার পরিজন নিয়ে ভালোভাবে জীবনযাপনের জন্য এই কাঁকড়ার ফার্মে কাজ করি। কিন্তু গত চার মাস বেতন বন্ধ থাকায় মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতিতে ঘরে খাবার না থাকায় ছেলে-মেয়ে নিয়ে না খেয়ে দিন কাটাচ্ছি।

নারী শ্রমিক রহিমা বেগম বলেন, অভাবের তাড়নায় সন্তান ও পরিবার ফেলে এসে প্রজেক্টে কাজ করেছি। ঠিকমতো বেতন না পাওয়ায় করোনা প্রাদুর্ভাবে খুবই কষ্টে আছি।

এদিকে, স্থানীয় ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম ফার্ম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে বিক্ষোভরত শ্রমিকদের ৩০ এপ্রিলের মধ্যে বেতন দেওয়ার বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর