সদ্য প্রয়াত চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র ও আওয়ামী লীগ নেতা মহিউদ্দিন চৌধুরীর কুলখানিতে পদদলিত হয়ে নয়জনের মৃত্যুর ঘটনায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মো. ইকবাল বাহার বলেছেন, নিরাপত্তার কোনো ত্রুটি হয়নি, মানুষের হুড়োহুড়ির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।
সোমবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে একথা বলেন তিনি।
ইকবাল বাহার বলেন, যে ঘটনাটি ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। একই সাথে নিরাপত্তা আরো বাড়ানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সূত্রে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত ১০ জন মারা গেছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারণা করছে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বাড়তে পারে।
উল্লেখ্য, নগরীর ১৩টি কমিউনিটি সেন্টার ও চশমা হিলের বাড়িতে মেজবানের আয়োজন করা হয়েছে। নগরীর ১৪ স্থানে একযোগে দুপুরে ওই মেজবানে প্রায় ৩ লাখ মানুষের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে। এজন্য রবিবার (১৭ ডিসেম্বর) রাতে দুই শতাধিক গরু ও চার শতাধিক ছাগল জবেহ করা হয়েছে। সোমবার রাজধানীর কাজীর দেউরি এলাকার একটি কমিনিউটি সেন্টারে হিন্দুদের জন্য খাবারের আয়োজন করা হয়। সেখানেই এ দুর্ঘটনা ঘটে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এটি বন্দরনগরী চট্টগ্রামের স্মরণকালের সবচেয়ে বড় মেজবান। একসঙ্গে একই সময়ে ১৪ স্থানে এত লোকের খাবারের আয়োজন আগে কখনো হয়নি। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষ আজকের মেজবানে অংশ নেবেন বলে আশা করছেন নগর আওয়ামী লীগের নেতারা।
মেজবানে খাবারের তালিকায় আছে মহিউদ্দিন চৌধুরীর প্রিয় সাদাভাত, গরুর ঝালভুনা এবং নলা দিয়ে ছোলার ডাল। মুসলমান ছাড়া অন্য ধর্মাবলম্বীদের জন্য থাকছে সাদাভাতের সঙ্গে ছাগলের মাংস ও নলা দিয়ে ডাল। নগরীর ৪১টি ওয়ার্ডের মানুষের জন্য ভাগ করে দেওয়া হয়েছে নির্দিষ্ট কমিউনিটি সেন্টার। দ্য কিং অব চিটাগাং কমিউনিটি সেন্টারে রয়েছে সবচেয়ে বড় আয়োজন।






















