০৮:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬

আশপাশের শ্রমিক দিয়েই পোশাক কারখানা চলবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা শ্রমিকদের দিয়েই পোশাক কারখানা চলবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বাইরে থেকে কোনো শ্রমিক আসবে না বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা আমাদের জানিয়েছেন, কোনো শ্রমিককে ইনভাইট (ঢাকায় আসতে বলেননি) করেননি। এবং তারা ভবিষ্যতেও করবেন না, যে পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটবে।’

তিনি বলেন, ‘কাজেই তারা স্পষ্ট করে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের বেতনের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করেছেন। কাজেই শ্রমিকদের অনাহুত হয়ে ঢাকায় আসার কোনো কারণ নেই।’

বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে কোনো শ্রমিক আনছি না। আনতে চাচ্ছি না। তারপরও বাস্তবতা হলো অনেকে চলে আসছেন। তাদের আমরা ডিসকারেজ করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, ‘ঈদে আমরা চাচ্ছি তারা আবার গ্রামে ফিরে না যাক। ছুটিটা কীভাবে দেব, আমরা আরেকবার বসব ঈদের আগে। ওসব ব্যাপার একটু শর্টআউট করার জন্য।’

৯৭ ভাগ কারখানায় মার্চের বেতন দেয়া হয়েছে। বাকিদেরও নির্ধারিত সময়ে বেতন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয় সভায়। এ ছাড়া সভায় শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

আশপাশের শ্রমিক দিয়েই পোশাক কারখানা চলবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১০:৫৬:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যে ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় অবস্থান করা শ্রমিকদের দিয়েই পোশাক কারখানা চলবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বাইরে থেকে কোনো শ্রমিক আসবে না বলেও জানান তিনি।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএ’র প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠক শেষে মন্ত্রী এ কথা জানান।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, তারা আমাদের জানিয়েছেন, কোনো শ্রমিককে ইনভাইট (ঢাকায় আসতে বলেননি) করেননি। এবং তারা ভবিষ্যতেও করবেন না, যে পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটবে।’

তিনি বলেন, ‘কাজেই তারা স্পষ্ট করে আমাদের জানিয়ে দিয়েছেন এবং তাদের বেতনের ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করেছেন। কাজেই শ্রমিকদের অনাহুত হয়ে ঢাকায় আসার কোনো কারণ নেই।’

বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, দূর-দূরান্ত থেকে কোনো শ্রমিক আনছি না। আনতে চাচ্ছি না। তারপরও বাস্তবতা হলো অনেকে চলে আসছেন। তাদের আমরা ডিসকারেজ করার চেষ্টা করছি।

তিনি বলেন, ‘ঈদে আমরা চাচ্ছি তারা আবার গ্রামে ফিরে না যাক। ছুটিটা কীভাবে দেব, আমরা আরেকবার বসব ঈদের আগে। ওসব ব্যাপার একটু শর্টআউট করার জন্য।’

৯৭ ভাগ কারখানায় মার্চের বেতন দেয়া হয়েছে। বাকিদেরও নির্ধারিত সময়ে বেতন দেয়ার নির্দেশ দেয়া হয় সভায়। এ ছাড়া সভায় শ্রমিকদের সুরক্ষা নিশ্চিতসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম, পুলিশ মহাপরিদর্শক বেনজীর আহমেদ, বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক উপস্থিত ছিলেন।

বিজনেস বাংলাদেশ/ শেখ