০১:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

বিক্রি হচ্ছে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট!

করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত নন মর্মে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট বাণিজ্য চলছে রাজধানীর অদূরে সাভার উপজেলায়। এ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের একজনের নাম সাইদ। আটক দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ সার্টিফিকেট।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম সায়েদ জানান, চাকরি নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের আতঙ্ককে পুঁজি করে বেশ কিছুদিন ধরেই জালিয়াতির এই ব্যবসা করে আসছিল সংঘবদ্ধ একটি চক্র।

ওসি জানান, সম্প্রতি দেনিটেক্স নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের বেশ কিছু সার্টিফিকেট আসে। যেটি দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে তারা। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রারে সার্টিফিকেটধারী কারও নাম তারা খুঁজে পায়নি। পরে কৌশল অবলম্বন করে দেনিটেক্স কর্তৃপক্ষ সার্টিফিকেটগুলো যে ঠিকানা থেকে পাঠানো হয়েছে, সেখানকার এক ব্যক্তিকে ডেকে আনেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানা যায়, ওই ব্যক্তি পশ্চিমবাংলা এলাকার একটি ফার্মেসির মালিক। তার নাম সাইদ।

ওসি আরও জানান, সাইদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সায়েমুল হুদা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতির মধ্যেও সার্টিফিকেটের ব্যবসার মতো অনৈতিক কার্যকলাপে প্রতারকরা যুক্ত হবে এটা কল্পনাও করিনি। পুলিশ তাদের আটক করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থায় তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, এটাই চাই।’

সাভার মডেল থানা জানিয়েছে, আটককৃতদের নিয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। পুলিশ আপাতত আসামিদের গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ

জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জেলা যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বিক্রি হচ্ছে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট!

প্রকাশিত : ০৫:২২:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২০

করোনাভাইরাস সংক্রমিত কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত নন মর্মে ‘করোনা নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট বাণিজ্য চলছে রাজধানীর অদূরে সাভার উপজেলায়। এ ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাদের একজনের নাম সাইদ। আটক দুজনের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ সার্টিফিকেট।

সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এসএম সায়েদ জানান, চাকরি নিরাপত্তা নিয়ে বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানার কর্মকর্তা ও শ্রমিকদের আতঙ্ককে পুঁজি করে বেশ কিছুদিন ধরেই জালিয়াতির এই ব্যবসা করে আসছিল সংঘবদ্ধ একটি চক্র।

ওসি জানান, সম্প্রতি দেনিটেক্স নামের একটি তৈরি পোশাক কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছে এ ধরনের বেশ কিছু সার্টিফিকেট আসে। যেটি দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে বিষয়টি নিয়ে তদন্তে নামে তারা। কিন্তু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রেজিস্ট্রারে সার্টিফিকেটধারী কারও নাম তারা খুঁজে পায়নি। পরে কৌশল অবলম্বন করে দেনিটেক্স কর্তৃপক্ষ সার্টিফিকেটগুলো যে ঠিকানা থেকে পাঠানো হয়েছে, সেখানকার এক ব্যক্তিকে ডেকে আনেন। পরে তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জানা যায়, ওই ব্যক্তি পশ্চিমবাংলা এলাকার একটি ফার্মেসির মালিক। তার নাম সাইদ।

ওসি আরও জানান, সাইদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরেকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে তার নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।

সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার সায়েমুল হুদা বলেন, ‘করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতির মধ্যেও সার্টিফিকেটের ব্যবসার মতো অনৈতিক কার্যকলাপে প্রতারকরা যুক্ত হবে এটা কল্পনাও করিনি। পুলিশ তাদের আটক করেছে। আইনানুগ ব্যবস্থায় তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা হোক, এটাই চাই।’

সাভার মডেল থানা জানিয়েছে, আটককৃতদের নিয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযান শেষে বিস্তারিত জানানো হবে। পুলিশ আপাতত আসামিদের গণমাধ্যমের সামনে উপস্থাপন করেনি।

বিজনেস বাংলাদেশ/ বিএইচ