ঢাকা বিকাল ৪:৪৪, মঙ্গলবার, ৪ঠা আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

প্রায় ২ হাজার করোনা পরীক্ষার ফল গরমিল করে জেকেজি

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার প্রধান আবদুল বাতেন বলেছেন, জেকেজির কম্পিউটার ও অন্যান্য মেশিনারিজ সিআইডির কাছে পাঠিয়ে ফরেনসিক পরীক্ষা করিয়েছি আমরা। তাতে ১৩ হাজার ৫৮৫ টি কোভিড-১৯ নমুনা সগ্রহের তথ্য পাওয়া গেছে। এসবের মধ্যে ১১ হাজার ৬৬০টি নমুনা জেকেজি কর্তৃক ব্যবহৃত কম্পিউটারে সংরক্ষিত ছিল। আর এসব পরীক্ষার ভেতর গড়মিল রয়েছে ১ হাজার ৯২৫ টি কোভিড-১৯ পরীক্ষার ফলাফল।

বৃহস্পতিবার (৩০জুলাই) ডিএমপি মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) প্রধান আব্দুল বাতেন বলেন, জেকেজি করোনা প্রতারনার মামলার তদন্ত কাজও আমারা শেষ করেছি। দ্রুতই আমরা অভিযোগ পত্র (চার্জশিট) জমা দিতে পারব।

তিনি আরো বলেন, সিআইডির ফরেনসিকে ১ হাজার ৯২৫ টি পরীক্ষায় গরমিল পাওয়া গেছে। তারা এসবের কোনটির নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠিয়েছে, আবার কোনটির নমুনা ল্যাবে পাঠায়নি।

এমনো হয়েছে পরীক্ষা করতে আসা ব্যাক্তিদের শুধু কাগজে লেখা কিছু করোনার সিমটম জিজ্ঞাসা করেও রিপোর্ট দিয়েছে। আইডিসি নামক ভূয়া ইমেইল সার্ভারে মাধ্যমে এসব মনগড়া রিপোর্ট তারা ক্লাইন্টদের কাছে পাঠিয়েছে। তিনি আরো বলেন, জেকেজি কোন তালিকাভুক্ত গ্রুপ অফ কোম্পানীজ না। তাই সংশ্লিষ্টরা তাদের মন মতো পদবী ব্যাহার করেছেন। তাই ডা. সাবরিনা কখনো নিজেকে চেয়ারম্যান কখনো কনভেইনার দাবী করতেন।

আসলে সাস্থ অধিদপ্তরের সংগে চুক্তির দুমাস পর জেকেজি সিটি কর্পোরেশন থেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স নেয়। এটা কোন জয়েনস্টক কোম্পানী না। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চুক্তির বিষয়টি চার্জশিটে আসবে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিবি প্রধান বলেন, কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি। তবে অনিয়মের বিষয়গুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিত জানাবো আমরা।সরকারি ব্যবস্থা গ্রহণের কিছু নিয়ম রয়েছে। সে নিয়ম অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিজনেস বাংলাদেশ/ প্রান্ত

এ বিভাগের আরও সংবাদ