০৩:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬

ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ডাক্তারের বিরুদ্ধে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. রিয়াদ সিদ্দিকী নামের যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞ এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনা নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন বাদী হয়ে গতকাল সোমবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন। আজ মঙ্গলবার নির্যাতিতার জবাববন্দীর রেকর্ড করার জন্য আদালতে হাজির করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রিপন কুমার বিশ্বাস।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৬ অক্টোবর দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী মো. রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার তাকে বিবস্ত্র করে স্পর্শকাতর জায়গাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মলম লাগায়। এ সময় ছাত্রী বাধা দিলে ডাক্তার তাকে বাধা দেওয়ার জন্য তাকে শাসায় এবং কাউকে না জানানোর কথা। মেয়েটি লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টা কাউকে জানায়নি। পরবর্তী তারিখে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার প্রথমে তাকে বিবস্ত্র করে মলম লাগায়। এরপর ধর্ষণ করে। সেই দৃশ্য ভিডিও করে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওই চিকিৎসক তখন মেয়েটিকে হুমকি দেয়, ঘটনা কাউকে বললে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। ফলে ভয়ে মেয়েটি কাউকেই বিষয়টি জানায়নি।

পরবর্তী মেয়ের মরণব্যাধী রোগ হয়েছে জানিয়ে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড বসানো হবে বলে পরিবারকে জানান ডা. রিয়াদ সিদ্দিকী। সেই কথা মতো মেয়েকে নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হন। তখন পরিবারের লোকজনদের অপেক্ষা করতে বলে ওই ডাক্তার মেয়েটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকের চতুর্থ তলার একটি নির্জন রুমে নিয়ে ধর্ষণ করতে গেলে ওই ছাত্রী কান্নাকাটি ও চিৎকার করে। এ সময় ওই ডাক্তার তাকে ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক আবারও ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/৯ জানুয়ারি ২০১৮/এফএ শোভন

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত: প্রধান উপদেষ্টা

ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগ ডাক্তারের বিরুদ্ধে

প্রকাশিত : ০৫:৩৪:২৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জানুয়ারী ২০১৮

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মো. রিয়াদ সিদ্দিকী নামের যৌন ও চর্ম বিশেষজ্ঞ এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনা নির্যাতিতার বাবা কামাল হোসেন বাদী হয়ে গতকাল সোমবার শাহবাগ থানায় একটি মামলা করেছেন। আজ মঙ্গলবার নির্যাতিতার জবাববন্দীর রেকর্ড করার জন্য আদালতে হাজির করেছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই রিপন কুমার বিশ্বাস।

মামলার এজহার থেকে জানা যায়, গত বছরের ৬ অক্টোবর দ্বাদশ শ্রেণির ওই ছাত্রী মো. রিয়াদ সিদ্দিকীর কাছে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার তাকে বিবস্ত্র করে স্পর্শকাতর জায়গাসহ শরীরের বিভিন্ন জায়গায় মলম লাগায়। এ সময় ছাত্রী বাধা দিলে ডাক্তার তাকে বাধা দেওয়ার জন্য তাকে শাসায় এবং কাউকে না জানানোর কথা। মেয়েটি লোকলজ্জার ভয়ে বিষয়টা কাউকে জানায়নি। পরবর্তী তারিখে চিকিৎসা নিতে গেলে ওই ডাক্তার প্রথমে তাকে বিবস্ত্র করে মলম লাগায়। এরপর ধর্ষণ করে। সেই দৃশ্য ভিডিও করে রাখা হয়েছে জানিয়ে ওই চিকিৎসক তখন মেয়েটিকে হুমকি দেয়, ঘটনা কাউকে বললে ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেওয়া হবে। ফলে ভয়ে মেয়েটি কাউকেই বিষয়টি জানায়নি।

পরবর্তী মেয়ের মরণব্যাধী রোগ হয়েছে জানিয়ে চিকিৎসার জন্য মেডিকেল বোর্ড বসানো হবে বলে পরিবারকে জানান ডা. রিয়াদ সিদ্দিকী। সেই কথা মতো মেয়েকে নিয়ে গত ৩১ ডিসেম্বর কামাল হোসেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে হাজির হন। তখন পরিবারের লোকজনদের অপেক্ষা করতে বলে ওই ডাক্তার মেয়েটিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বি-ব্লকের চতুর্থ তলার একটি নির্জন রুমে নিয়ে ধর্ষণ করতে গেলে ওই ছাত্রী কান্নাকাটি ও চিৎকার করে। এ সময় ওই ডাক্তার তাকে ওপর থেকে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেয় এবং জোরপূর্বক আবারও ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।

 

বিজনেস বাংলাদেশ/৯ জানুয়ারি ২০১৮/এফএ শোভন