ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের প্রধান রাকেশ আস্থানা বলেছেন, সীমান্তহত্যা শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে আমরা বাংলাদেশের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে করোনা মহামারির কারণে গেল মার্চ মাস থেকে সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের যৌথটহল ব্যবস্থা শিথিল থাকার কারণে সীমান্তহত্যা কিছুটা বেড়েছে।
আজ শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে সম্মেলন শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। এর আগে গেল বৃহস্পতিবার পিলখানায় বিজিবি সদর দপ্তরে এ সম্মেলন শুরু হয়।
এতে বিজিবির মহাপরিচালক সাফিনুল ইসলামের নেতৃত্বে ১৩ সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বিএসএফের তরফ থেকে অংশ নেয় রাকেশ আস্তানার নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল।
সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতন শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে বিজিবি-বিএসএফের সম্মতি ও যৌথ আলোচনার দলিল স্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে শনিবার শেষ হয়েছে এ সম্মেলন। পরে দুই বাহিনী প্রধান যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন।
বিএসএফ মহাপরিচালক বলেন, বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র ব্যবহারের জন্য বিএসএফের সকল পর্যায়ে নির্দেশনা রয়েছে। পরিস্থিতি সর্বশেষ পর্যায়ে না পৌঁছা পর্যন্ত বিএসএফ জওয়ানরা সরাসরি গুলিবর্ষণ করে না।
রাকেশ আস্থানা আরো বলেন, কোভিড-১৯ মহামারীর সময় অর্থাৎ গত মার্চ মাস থেকে সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের যৌথ টহলব্যবস্থা অনেকটা শিথিল হয়ে যায়। এসময় উভয় পাশের অপরাধীরাই বেশি সক্রিয় থাকায় কিছু হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এই বিষয়টি নিয়ে এবারের বৈঠকেও আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আমরা হত্যাকাণ্ড শূন্যের কোঠায় কমিয়ে আনতে কাজ করছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর






















