০৩:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

‘গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা সাপেক্ষে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে’

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। কমিশনের মাধ্যমে যাচাই বাছাই শেষে গ্রাহকদের আর্থিক সক্ষমতা বিচার করে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অহেতুক বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গ্রাহককে কষ্ট দেওয়া সরকারের উদ্দেশ্য নয়।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে বিরোধী দলের সদস্য সেলিম উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে কম দামে খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। ট্যারিফ ঘাটতির কারণে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

সেলিম উদ্দিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো না বলে সমন্বয় বলা ভালো। বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ব্যয় ৭ টাকার ওপরে। আর বিক্রি হচ্ছে দুই টাকা দরে। এই ঘাটতি ধীরে ধীরে সমন্বয় করতে হবে। এবার ওপরের দিকে যারা ৪০০ কিলোওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছু সমন্বয় হয়েছে।

সরকারি দলের দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, সমুদ্রের ঢেউ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে লক্ষ্যে সমীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সমুদ্রের ঢেউ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যয়বহুল, বাণিজ্যিকভাবে টেকসই ও জনপ্রিয় নয়। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি উন্নত বিশ্বের কিছু দেশে এখন পর্যন্ত পরীক্ষাধীন পর্যায়ে আছে।

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নির্বাচনকে সামনে রেখে কঠোর অবস্থানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশ

‘গ্রাহকের আর্থিক সক্ষমতা সাপেক্ষে বিদ্যুতের দাম বেড়েছে’

প্রকাশিত : ০৮:০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জানুয়ারী ২০১৮

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন। কমিশনের মাধ্যমে যাচাই বাছাই শেষে গ্রাহকদের আর্থিক সক্ষমতা বিচার করে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। অহেতুক বিদ্যুতের দাম বাড়িয়ে গ্রাহককে কষ্ট দেওয়া সরকারের উদ্দেশ্য নয়।

আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে বিরোধী দলের সদস্য সেলিম উদ্দিনের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠক শুরু হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়।

নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুতের উৎপাদন ব্যয়ের চেয়ে কম দামে খুচরা পর্যায়ে সরবরাহ করা হচ্ছে। ট্যারিফ ঘাটতির কারণে ২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের ৪ হাজার ৬৮৫ কোটি টাকা লোকসান হয়েছে।

সেলিম উদ্দিনের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, বিদ্যুতের দাম বাড়ানো না বলে সমন্বয় বলা ভালো। বিদ্যুতের প্রতি ইউনিটের উৎপাদন ব্যয় ৭ টাকার ওপরে। আর বিক্রি হচ্ছে দুই টাকা দরে। এই ঘাটতি ধীরে ধীরে সমন্বয় করতে হবে। এবার ওপরের দিকে যারা ৪০০ কিলোওয়াটের বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন তাদের ক্ষেত্রে কিছু সমন্বয় হয়েছে।

সরকারি দলের দিদারুল আলমের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, সমুদ্রের ঢেউ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনে লক্ষ্যে সমীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সমুদ্রের ঢেউ শক্তিকে কাজে লাগিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি ব্যয়বহুল, বাণিজ্যিকভাবে টেকসই ও জনপ্রিয় নয়। এই প্রক্রিয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রযুক্তি উন্নত বিশ্বের কিছু দেশে এখন পর্যন্ত পরীক্ষাধীন পর্যায়ে আছে।