নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলা আমাদা গ্রামে একটি সেতু নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে, সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অনুমোদিত নকশা পরিবর্তন করে মন গড়া নিয়মে দরপত্রে উল্লেখিত নিয়ম অনুসরণ না করে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। নির্মিত সেতুর মোট উচ্চতা ২১. ফুট করার কথা থাকেলে ও করা হয়েছে সর্ব সাকুল্যে ১৫.ফুট। যে কারনে সেতুটির ভিত অত্যান্ত দুর্বল। খাল খনন হলে যে কোনো সময় ধ্বসে যেতে পারে আশঙ্কা করেছেন গ্রামবাসী। সেতুটির কোনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয় নাই। সেতুটির উইং ওয়াল তৈরিতে দরপত্রের পরিমাপ মানা হয় নাই। নিচের অংশের বেজ ঢালায়ে রড ও বালু ব্যবহার দরপত্র অনুযায়ী হয় নাই বলে অভিযোগ করেন।
আমাদা গ্রামের ওহাব গাজীর ছেলে সিদ্দিকুর রাহমান গাজী অভিযোগ করেন, সেতুর গভিরতা ২১.ফুট করার কথা থাকলে ও ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্ট (পি, আইও) কর্মকর্তার সাথে যোগসাজসে করেছেন মাত্র ১৫.ফুট সেতুটি যে কোনো সময় ধ্বসে যেতে পারে।
এখনও সংযোগ সড়কটি নির্মাণ হয়নি, এলাকার লোকজন ও স্কুল কলেজ শিক্ষার্থীরা চলাচল করছেন ঝুকি নিয়ে। একই গ্রামের এসএম মোসাব বলেন সেতুটি যতখানি গভীরতা দেয়ার কথা ছিল তা দেয়া হয়নি।
এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এসএমএ করিম, অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, সেতুটির স্থান পরিবর্তন করেছেন জনপ্রতিনিধিসহ গ্রামবাসী।
তিনি আরো বলেন সেতুটির ডিজাইন উদ্ধতম কর্তৃপক্ষ পরিবর্তন করতে পারেন।
ঠিকাদার মো: আশরাফ মুন্সী বলেন আমার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ হয়েছে, কিন্তুু আমি কাজটি করি নাই।
কাজ করেছে উজ্জল নামে এক ব্যাক্তি সাপ ঠিকাদার, উজ্জ্বল বলেন আমি দরপত্র মোতাবেক কাজ করেছি।
বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর






















