০৭:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬

নওগাঁয় যমুনা নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দূর্গোৎসবের সমাপ্তি

প্রশাসনিক কড়াকড়ির পরও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে নওগাঁর ছোট যমুনা নদীতে শারদীয় দূর্গা পূজার শারদীয় দূর্গোৎসব শেষ হয়েছে। দুপূর থেকে প্রতিমাগুলো নিজ নিজ মন্ডপ থেকে নদীতে এনে নৌকায় তোলা হয়। পরে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমাবাহী এবং বিভিন্ন সংগঠন, পারিবারিক এবং গোষ্ঠীভিত্তিক নৌকাগুলো নদীতে নৌকা বাইচের মত আনন্দ করে।
উত্তরে বিজিবি ক্যাম্প এবং দক্ষিণে পালপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার জুড়ে চলতে থাকে নৌকা বাইচের মত নৌবহর। নৌকায় নৌকায় ঢাক ঢোল কাঁশর আর মাইক টেপ রেকর্ডারে গানের শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে নদীর দুই পাড়ে জমে প্রচুর দর্শক। নদীর উভয় পার্শ্বে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার নারী পুরুষ শিশু কিশোর যুবক যুবতি সব বয়সের মানুষ এ নয়নাভিরাম দৃর্শ্য অবলোকন করেন। সন্ধ্যায় দিকে নদীর বক্ষে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।
এর আগে সকালে সিদুর খেলার মধ্যে দিয়ে দূর্গা মাকে বিদায় দেন ভক্তরা। জেলার কিছু পূজা মন্ডপে এই সিদুর খেলার আয়োজন করা হযেছে। তবে করোনার কারণে অধিকাংশ মন্ডপে এর আয়োজন করা হয়নি। দেবীকে এ বছরের মত বিদায় দিতে চন্দন, ধুপ আর সিঁদুর দেবীর পায়ে নিবেদন করেন ভক্তরা। ঢাক আর উলু ধ্বনিতে মুখরিত নওগাঁর বিভিন্ন দূর্গা মন্ডপগুলো। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ আর থেমে থেমে উলু ধ্বনি মন্ডপগুলোতে সৃষ্টি হয়েছিল আবেগঘন পরিবেশ।
নওগাঁ পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, বিজয়া দশমী উপলক্ষে শহরের প্রতিটি সড়কে, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাম্প্রাদিয়ক চিন্তভাবনায় ও কর্মকান্ডের ফলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিকতা এবং তৎপরতায় জেলায় ৭৪৬টি পূজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় পূজা সম্পন্ন হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

নওগাঁয় যমুনা নদীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শারদীয় দূর্গোৎসবের সমাপ্তি

প্রকাশিত : ০৮:০৬:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২০

প্রশাসনিক কড়াকড়ির পরও উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে নওগাঁর ছোট যমুনা নদীতে শারদীয় দূর্গা পূজার শারদীয় দূর্গোৎসব শেষ হয়েছে। দুপূর থেকে প্রতিমাগুলো নিজ নিজ মন্ডপ থেকে নদীতে এনে নৌকায় তোলা হয়। পরে সন্ধ্যা পর্যন্ত প্রতিমাবাহী এবং বিভিন্ন সংগঠন, পারিবারিক এবং গোষ্ঠীভিত্তিক নৌকাগুলো নদীতে নৌকা বাইচের মত আনন্দ করে।
উত্তরে বিজিবি ক্যাম্প এবং দক্ষিণে পালপাড়া পর্যন্ত প্রায় ৫ কিলোমিটার জুড়ে চলতে থাকে নৌকা বাইচের মত নৌবহর। নৌকায় নৌকায় ঢাক ঢোল কাঁশর আর মাইক টেপ রেকর্ডারে গানের শব্দে মুখরিত হয়ে উঠে নদীর দুই পাড়ে জমে প্রচুর দর্শক। নদীর উভয় পার্শ্বে দাঁড়িয়ে হাজার হাজার নারী পুরুষ শিশু কিশোর যুবক যুবতি সব বয়সের মানুষ এ নয়নাভিরাম দৃর্শ্য অবলোকন করেন। সন্ধ্যায় দিকে নদীর বক্ষে প্রতিমা বিসর্জন দেয়া হয়।
এর আগে সকালে সিদুর খেলার মধ্যে দিয়ে দূর্গা মাকে বিদায় দেন ভক্তরা। জেলার কিছু পূজা মন্ডপে এই সিদুর খেলার আয়োজন করা হযেছে। তবে করোনার কারণে অধিকাংশ মন্ডপে এর আয়োজন করা হয়নি। দেবীকে এ বছরের মত বিদায় দিতে চন্দন, ধুপ আর সিঁদুর দেবীর পায়ে নিবেদন করেন ভক্তরা। ঢাক আর উলু ধ্বনিতে মুখরিত নওগাঁর বিভিন্ন দূর্গা মন্ডপগুলো। পুরোহিতের মন্ত্রপাঠ আর থেমে থেমে উলু ধ্বনি মন্ডপগুলোতে সৃষ্টি হয়েছিল আবেগঘন পরিবেশ।
নওগাঁ পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান জানান, বিজয়া দশমী উপলক্ষে শহরের প্রতিটি সড়কে, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলে আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা।
জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি নির্মল কৃষ্ণ সাহা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অসাম্প্রাদিয়ক চিন্তভাবনায় ও কর্মকান্ডের ফলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের আন্তরিকতা এবং তৎপরতায় জেলায় ৭৪৬টি পূজা মন্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় পূজা সম্পন্ন হয়েছে।

বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ