গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (বশেমুরবিপ্রবি) ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাঁকা আসনে ভর্তির দাবি নিয়ে বুধবার (২৮ অক্টোবর) দ্বিতীয় দিনের মতো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অনশন করেছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল থেকে অনশন শুরু করে তারা।দ্বিতীয় দিনেও তারা সেখানেই অবস্থান করেছে। এসব শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনশন ও অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরবেন না।
অনশনরত শিক্ষার্থীরা বলেন, ভিসি স্যার আমাদের শনিবার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে বলেছেন। আমরা আমাদের ন্যায্য দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত এখান থেকে নড়বো না। মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের সাথে দেখা করেন বশেমুরবিপ্রবি উপাচার্যের এর পিএস।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. এ কিউ এম মাহবুব বলেন “রিজেন্ট বোর্ড ও ইউজিসির অনুমতি ব্যতীত কিছু করতে পারবো না। তিনি আরো বলেন, আমি নিয়মের বাইরে যেতে পারি না। তারা স্মারকলিপি দিলে আগামী মাসে রিজেন্ট বোর্ডের সভা বসলে বিষয়টি উত্থাপন করা হবে। ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে গেছে, বছর শেষে তাদের তো ভর্তি নেওয়া যায় না।”
বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৯-২০ সেশনে ভর্তি কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. এম এ সাত্তার বলেন, “ভিসি স্যার সহ ১০ সদস্যর একটি কোর কমিটি আছে। আমাদের ভর্তি নেওয়ার কথা ছিলো আমরা ভর্তি নিয়েছি। থার্ড ওয়েটিং পর্যন্ত ডেকেছি। এখন কোর কমিটি সিদ্ধান্ত নেবে। তাছাড়া নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় আমাদের রুম ও শিক্ষক কম। সে হিসেবে শিক্ষার্থী বেশি, এজন্য ইউজিসি আপত্তি জানিয়েছেন।”
বিজনেস বাংলাদেশ/ ইএম























