টঙ্গী প্রেসক্লাবে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় আবু বক্কর (১৯) নামে এক চোরকে আটক করেছে টঙ্গী পশ্চিম থানা পুলিশ। গ্রেফতারকৃতের বাড়ি পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকান্ধি থানাধীন বটতলা বালিপাড়া গ্রামের রুহুল আমিনের ছেলে। বর্তমানে তারা টঙ্গী পশ্চিম থানাধীন কাদেরিরা টেক্সটাইল মেইলের উত্তর পাশের্^ একটি শিল্পপ্লটে ভিতরে বসবাস করছে। গ্রেফতারকৃতকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গত ২২ শে অক্টোবর রাতে প্রেসক্লাবের তালা কেটে ভিতরে প্রবেশ করে এই চুরির ঘটনা ঘটায়। এ ঘটনার পর টঙ্গী প্রেসক্লাব কর্তৃপক্ষ টঙ্গী পশ্চিম থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে গতকাল বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার সময় টঙ্গী পশ্চিম থানার এস আই নজমুল হক সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে তাদের বাসায় অভিযান চালিয়ে আবুবক্করকে গ্রেফতার করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তাদের বাসা থেকে বস্তা ভর্তি অবস্থায় চুরি হয়ে যাওয়া (উঊখখ) কোম্পানীর একটি কম্পিউটার, (ঝঅগঝটঘএ) কোম্পানীর একটি এলইডি টিভিসহ আরো অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়।
এ বিষয়ে প্রেসক্লাবের সভাপতি এম. এ হায়দার সরকার বলেন, কম্পিউটার অপারেটর ও অফিস সহকারী আব্দুল কাদের ঘটনার আগের দিন ছুটিতে ছিল। চোর আবুবক্কর সেই সুযোগে ওইদিন দিবাগত রাতে সে এই চুরির ঘটনাটি ঘটায়। এ বিষয়টি টঙ্গী পশ্চিম থানার ওসি এমদাদুল হককে জানানো হলে তিনি তাৎক্ষণিক অফিসার পাঠান এবং নিজে এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এই চুরির ঘটনার মালামাল উদ্ধার করতে তিনি দ্রæত পদক্ষেপ নেন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাব কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এবং ক্লাবের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে চোর সনাক্ত করা হয়।
এব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার অপরাধ (দক্ষিণ) ইলতুৎ মিশ বলেন, প্রত্যেকটা অপরাধী নিজেকে অনেক চালাক মনে করেন। কিন্তু তার পরেও তারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতে পারে না। তবে সিসি টিভির ফুটেজ থাকায় চোর ধরতে আমাদের তেমন কষ্ট হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ সকল জায়গায় বা প্রতিষ্ঠানকে সিসি টিভির আওতায় আনলে এসকল অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটনার সম্ভাবনা কম থাকে। ঘটলেও দ্রæত অপরাধীকে গ্রেফতার করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেশি সময় লাগে না।
বিজনেস বাংলাদেশ/বিএইচ






















