১২:০২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬

কুয়াকাটায় ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ চালু

শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কায় পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ (মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নয়) সার্ভিস চালু করা হয়েছে। ‘নিজে নিরাপদ থাকুন ও অপরকে নিরাপদ রাখুন’ এবং ‘ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন’— এ শ্লোগান নিয়ে কুয়াকাটা সৈকতে ঘুরে ঘুরে মাইকিং করছে টুরিস্ট পুলিশ।

এ ছাড়া, পর্যটকদের জন্য মাস্ক ছাড়া সৈকতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মাস্ক ছাড়া আগত পর্যটকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পিরোজপুর থেকে আগত পর্যটক মেহেদি হাসান বলেন, ‘আমরা মাস্ক না পরে সৈকতে যাওয়ার চেষ্টা করি। সে সময় পুলিশের বাঁধার মুখে পড়তে হয়েছে। পরে দোকান থেকে মাস্ক কিনে সৈকতে যাই।’

বরিশাল থেকে আগত পর্যটক তামিম ইকবাল বলেন, ‘শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। আর এ সংক্রমণ মোকাবিলায় টুরিস্ট পুলিশ ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে কিছুটা হলেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। সবার সুস্থ থাকার জন্যই মাস্ক ও ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।’

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. বদরুল কবির বলেন, ‘আগত পর্যটকদের মাস্ক ও ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিং করা হচ্ছে। শীত মৌসুমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, অনেক পর্যটকরা এ নিয়ম মানছেন না। এ জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হলে এর সুফল পাওয়া যাবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর

ট্যাগ :
জনপ্রিয়

রাজস্ব আদায়ে টিআইএনধারীদের বাড়ি বাড়ি এনবিআরের চিঠি

কুয়াকাটায় ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ চালু

প্রকাশিত : ০১:১০:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২০

শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কায় পটুয়াখালীর পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় ‘নো মাস্ক, নো এন্ট্রি’ (মাস্ক ছাড়া প্রবেশ নয়) সার্ভিস চালু করা হয়েছে। ‘নিজে নিরাপদ থাকুন ও অপরকে নিরাপদ রাখুন’ এবং ‘ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করুন’— এ শ্লোগান নিয়ে কুয়াকাটা সৈকতে ঘুরে ঘুরে মাইকিং করছে টুরিস্ট পুলিশ।

এ ছাড়া, পর্যটকদের জন্য মাস্ক ছাড়া সৈকতে প্রবেশে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। মাস্ক ছাড়া আগত পর্যটকদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পিরোজপুর থেকে আগত পর্যটক মেহেদি হাসান বলেন, ‘আমরা মাস্ক না পরে সৈকতে যাওয়ার চেষ্টা করি। সে সময় পুলিশের বাঁধার মুখে পড়তে হয়েছে। পরে দোকান থেকে মাস্ক কিনে সৈকতে যাই।’

বরিশাল থেকে আগত পর্যটক তামিম ইকবাল বলেন, ‘শীত মৌসুমে করোনার দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে। আর এ সংক্রমণ মোকাবিলায় টুরিস্ট পুলিশ ভালো উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এর ফলে কিছুটা হলেও সচেতনতা বৃদ্ধি পাবে। সবার সুস্থ থাকার জন্যই মাস্ক ও ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করা উচিত।’

কুয়াকাটা টুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. বদরুল কবির বলেন, ‘আগত পর্যটকদের মাস্ক ও ঘন ঘন হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করতে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে মাইকিং করা হচ্ছে। শীত মৌসুমে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ মোকাবিলায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে, অনেক পর্যটকরা এ নিয়ম মানছেন না। এ জন্য একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হলে এর সুফল পাওয়া যাবে।’

বিজনেস বাংলাদেশ/ এ আর